ইরান তাদের নীতি পরিবর্তন না করলে অতি দ্রুত 'কাজটি শেষ করে ফেলার' কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সমর্থন বা অনুমোদন না থাকলেও ইরানে ফের সামরিক হামলা চালাতে এবং তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাতে ইসরায়েল পুরোপুরি প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরান যদি তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথ পরিবর্তন না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি দাবি করেন, সামরিক ও অর্থনৈতিক দুই দিক থেকেই দেশটি বর্তমানে চরম সংকটের মধ্যে রয়েছে। এর আগে ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কোনো সামরিক হামলায় না যাওয়ার ইঙ্গিত দিলেও, সম্প্রতি নেতানিয়াহুর সঙ্গে নতুন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তাঁদের মধ্য আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসরায়েলের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেতানিয়াহুর প্রতি নিজের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি নেতানিয়াহুকে একজন দক্ষ যোদ্ধা ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। জবাবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীও যৌথভাবে মিশন সম্পন্ন করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে, একটি হালনাগাদ জাতীয় নিরাপত্তা নীতি উপস্থাপনকালে নেতানিয়াহু জানান, ইসরায়েলের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তাঁরা মার্কিন অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল নন। পারমাণবিক ক্ষমতাসম্পন্ন ইরানকে নিজেদের জন্য সবচেয়ে বড় একক হুমকি উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রয়োজনে ইসরায়েল একক সিদ্ধান্তেই আগাম সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ইরানের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নেতানিয়াহু দাবি করেন, সিংহভাগ পরিকল্পনা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দেশটির বর্তমান শাসনগোষ্ঠীকে চিরতরে উৎখাত করতে ইসরায়েলের সবকটি নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
