কালবেলা · রাজনীতি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: ডা. রফিক
১৫/১০/২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে সাভারের আশুলিয়া বাজারে বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন ডা. রফিকুল ইসলাম।
কর্মসূচিতে বিএনপির সহ-পরিবারকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আশুলিয়া বাজারের দোকানপাট, বাসাবাড়ি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক লিফলেট বিতরণ করা হয়। ভ্যানচালক, রিকশাচালক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে সচেতন করা হয়।
অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর নির্ভর করলে চলবে না; বরং রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বাড়িঘর, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।’
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। জ্বরসহ ডেঙ্গুর সম্ভাব্য উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্যও তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, জনসম্পৃক্ত সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে অবহিত করা এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগ রোগ প্রতিরোধে মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন- ডা. মাহবুবুল ইসলাম খন্দকার, ডা. জামশেদ আলী, ডা. মুনতাসীর, ডা. শাকিল, ডা. নাহিদ, ডা. আকাশ, ডা. রাজু, ডা. মিথুন, ডা. ইনজামাম, ডা. মোহিব মিরাজ, ডা. ফয়সাল, ফরহাদ সরকার, আলভী, রাফি, ফাহিম শাহরিয়ার, অনিরুদ্ধ, সাকিব, জীম ও আরাফসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা এবং স্থানীয় বিএনপির নেতারা।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗