আজকাল ওয়েবডেস্ক: মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নিউ আলিপুরের প্রি-প্রাইমারি একটি বেসরকারি স্কুলে। গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকালে স্কুল চলাকালীন ওই স্কুলের এক শিক্ষিকা দু'বছরের একটি শিশুকে মাটিতে আছাড় মারে বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আজ, সোমবার অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে আলিপুর আদালতে হাজির করানো হবে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর। গুরুতরভাবে আহত ওই শিশুর পা ভেঙে গিয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযোগকারিণীর নাম সোমা খাতুন। তিনি কলকাতার টালিগঞ্জ রোডের বাসিন্দা। তাঁর দু’বছরের শিশুকে নিউ আলিপুরের সেন্ট জোসেফ অ্যান্ড মেরি স্কুলের প্রি-প্রাইমারি স্কুলে পাঠাতেন স্কুলের আদব-কায়দা ও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর জন্য। সোমা-র বক্তব্য, গত শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ প্রতিদিনের মতো ছেলেকে তিনি স্কুলে পাঠান। সেই সময় ক্লাসের শ্রেণিশিক্ষিকা সানন্দা পাল তাঁর দু’বছরের শিশু আয়ান পাসোয়ান-কে মাটিতে আছাড় মারে। তার আগে শিশুটিকে টেনে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। শ্রেণিকক্ষের ভিতরেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনায় দু’বছরের শিশুটি গুরুতর জখম হয়েছে বলে অভিযোগ। তাকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় চিকিৎসার কারণে। পরিবারের দাবি, শিশুটির ডান পা ভেঙে গিয়েছে। তাঁর পায়ের চিকিৎসা করা হয়েছে। চিকিৎসার পর দুই বছরে শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরের দিন শিশুটির মা নিউ আলিপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
অভিযুক্ত শিক্ষিকা সানন্দা পালকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১১৭(২) ধারা এবং জুভেনাইল জাস্টিস (জুভেনাইলদের যত্ন ও সুরক্ষা) আইনের ৭৫ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে স্কুলের শ্রেণিকক্ষের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
কেন শিক্ষিকা সানন্দা পাল এমন ঘটনার ঘটিয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুরো সত্যতা যাচাই করে দেখছে।
