সাজেকে চলমান আন্দোলন ও অবরুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। এ লক্ষ্যে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজানের মধ্যস্থতায় দ্রুত আলোচনায় বসার উদ্যোগ নেয়া হবে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে হেডম্যান ও কার্বারিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিবসহ বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং রাঙামাটির হেডম্যান ও কার্বারিরা।
- Advertisement -
সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, সাজেকের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের নাম আসায় হেডম্যান ও কার্বারিদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। শুরু থেকেই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সভায় রাঙামাটির তিনজন হেডম্যান ও কার্বারিকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ উদ্যোগে খাগড়াছড়ির হেডম্যান ও কার্বারিরাও সম্পৃক্ত থাকবেন। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজানের মধ্যস্থতায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার আয়োজন করা হবে।
ওয়াদুদ ভূঁইয়া আরও জানান, আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই গণমাধ্যমের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। তবে তখন আলোচনা শুরু করা সম্ভব হয়নি। গতকাল আন্দোলনকারীদের একটি বিবৃতির মাধ্যমে আলোচনায় বসার আগ্রহের কথা জানতে পেরেছি। এতে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পথ তৈরি হয়েছে।
তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে চলমান পরিস্থিতির সমাধান হবে। আর এর মধ্য দিয়ে পর্যটকদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক।
