ইপসউইচ টাউনকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টানা সাত জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ৩-২ গোলের জয়ে জোড়া গোল করেছেন আরলিং হালান্ড।
গতকাল শনিবার হালান্ডের জোড়া গোল ছাড়াও একটি গোল করেছেন ফিল ফোডেন। এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা সিটি ব্যবধান বাড়িয়েছে ছয় পয়েন্টে।
বিজ্ঞাপন
আর্থিক অনিয়মের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ঘরের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে মাঠে নামে সিটি। আর সেই ম্যাচেই জয়ের দেখা পায় ক্লাবটি। রায়ের পর প্রথম ম্যাচে প্রতিকূল পরিবেশে অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে হারিয়েছিল তারা। এবার নিজেদের সমর্থকদের কাছ থেকেও পেয়েছে সমর্থন। ম্যাচ শুরুর আগে প্রিমিয়ার লিগের সংগীত বাজানোর সময় দুয়ো দেন সিটির সমর্থকেরা। পাশাপাশি ১৯৮০-এর দশকে প্রচলিত একটি ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে মাঠে ওড়ান কলার আকৃতির ফুলানো খেলনা।
ক্লাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও মাঠের খেলায় তার প্রভাব পড়তে দেননি মারেস্কার শিষ্যরা। হালান্ডের জোড়া গোলে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে প্রথম সাত ম্যাচ জেতা তৃতীয় দল হলো সিটি। এর আগে ২০০৫-০৬ মৌসুমে চেলসি এবং ২০১৯-২০ মৌসুমে লিভারপুল এই কীর্তি গড়েছিল।
বিজ্ঞাপন
প্রিমিয়ার লিগের কোনো ক্লাবের দায়িত্ব নিয়ে প্রথমবারের মতো টানা ৭ ম্যাচে জয়ের দেখা পেলেন মারেসকা।
১৯ মিনিটে ফিল ফোডেনের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্রুত প্রতিক্রিয়া ইপসউইচ টাউন। ১৫৫ সেকেন্ড পরই ২১ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান মায়েদা।
তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ৩৪ মিনিটে হালান্ড গোল করলে সমতা ভেঙে আরেকবার এগিয়ে যায় সিটি। পরে ইলিমান এনদিয়ের পাস থেকে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে ব্যবধান বাড়ান নরওয়ের এই স্ট্রাইকার।
বিজ্ঞাপন
এরপর দারুণ অ্যাক্রোবেটিক শটে বল জালে পাঠিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ হয়েছে বলে মনে করেছিলেন হালান্ড। তবে আক্রমণের শুরুতে এনজো ফার্নান্দেজের সামান্য অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
ম্যাচের ৯০ মিনিটে আবদুল ফাতাওকে ফাউল করেন গেহি। পেনাল্টি থেকে গোল করে ইপসউইচকে আবার লড়াইয়ে ফেরার আশা দেখান জিয়ান ফ্লেমিং। তবে যোগ করা ১২ মিনিট সামলে রেখে জয় নিশ্চিত করে সিটি।
আইএন
ফলো করুন
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন jagofeature@gmail.com ঠিকানায়।
