গত ২৪ অক্টোবর ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) কেন্দ্র প্রাঙ্গণে রিপসা টিম, জোন ৫ চট্টগ্রাম এরিয়ার উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ৯টি সেলাইমেশিন বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর পিডিজি আব্দুল আহাদ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর সিপি আবু তৈয়ব,পিপি মনিরুজ্জামান,পিপি এমদাদুল আজিজ চৌধুরী ও পিপি ফেরদৌস আরা, কো-অর্ডিনেটর সিপি নজরুল ইসলাম নান্টু, পিপি মিনহাজ উদ্দিন নাহিয়ান,সিপি ইব্রাহিম হাসান,কো-অর্ডিনেটর এডভোকেট শওকত আউয়াল চৌধুরী ,ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোনতাকা জামান কাপ্পী,ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর সুদীপ কুমার চন্দ,এসিস্ট্যান্ট কো-অর্ডিনেটর পিপি জাহিদুল ইসলাম, এসিস্ট্যান্ট কো-অর্ডিনেটর পিপি হাসানুজ্জামান শান্টু।
- Advertisement -
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রিপসা কমিটির রোটারি ডিস্ট্রিক্টের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সার্ভিস প্রজেক্ট এ অংশগ্রহণকারী ৩১টি রোটারি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট,সাবেক প্রেসিডেন্ট, ক্লাব সদস্যবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
সার্ভিস প্রজেক্ট অংশগ্রহণ রোটারি ক্লাবগিলো- ১.আধুনিক চট্টগ্রাম,২.অ্যাঙ্কর সিটি চিটাগং,৩.এনসিয়েন্ট চিটাগং,৪.চট্টগ্রাম হারবার ৫.চট্টগ্রাম স্মাইল,৬. চিটাগং,৭.চিটাগং অ্যারিস্টোক্র্যাট,৮.চিটাগং সিটি,৯.চিটাগং ডাউন টাউন,১০.চিটাগং হেরিটেজ,১১.চিটাগং ইম্পেরিয়াল,১২.চিটাগং খুলশী,১৩.চিটাগং লেক ভিউ,১৪.চিটাগং মেরিন সিটি,১৫.চিটাগং মিড সিটি,১৬.চিটাগং মিড টাউন,১৭.চিটাগং নর্থ, ১৮.চিটাগং পিস,১৯. চিটাগং পার্ল,২০. চিটাগং পাইওনিয়ার,২১. চিটাগং পোর্ট সিটি,২২.চিটাগং রিভার শাইন,২৩. চিটাগং রয়্যালস,২৪.চিটাগং সাগরিকা,২৫. চিটাগং সাউথ,২৬.চিটাগং সুপ্রিম,২৭.চিটাগং ওয়াটারফল,২৮.কক্সবাজার সিটি,২৯. ইসলামাবাদ,৩০.মেট্রোপলিটন চিটাগং,৩১. রিভারাইন হালদা। বক্তারা বলেন, মানবতার সেবা-ই রোটারির মূল অঙ্গীকার।

সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। আজকের এই সেলাইমেশিন বিতরণ কর্মসূচি শুধু একটি সেবামূলক উদ্যোগ নয়, বরং অসহায় মানুষের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং একটি পরিবারের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।বক্তারা আরও বলেন, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। আজ ৩১টি রোটারি ক্লাবের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রমাণ করেছে, মানবতার কল্যাণে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করলে যেকোনো মহৎ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।তাঁরা বলেন, আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম শুধু আজকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। আগামী দিনগুলোতে সকল রোটারি ক্লাব, রোটারি লিডার ও রোটারিয়ানদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আরও বৃহৎ পরিসরে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বক্তারা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, আগামী দিনে রিপসা টিম, জোন-৫, চট্টগ্রাম এরিয়ার নেতৃত্বে সকল রোটারি ক্লাবকে সঙ্গে নিয়ে আরও বেশি সংখ্যক সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য, আন্তরিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে সবাই একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি স্তরে মানবতার আলো ছড়িয়ে দেওয়াই হবে আমাদের লক্ষ্য।তাঁরা আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, একার প্রচেষ্টায় যতটুকু সম্ভব, সম্মিলিত উদ্যোগে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাই আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করি, আরও বেশি সেবামূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করি এবং রোটারির সেবার আদর্শকে সমাজের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দিই।”রোটারির মূলমন্ত্র “Service Above Self” — স্বার্থের ঊর্ধ্বে সেবা ধারণ করে মানবকল্যাণে এই সম্মিলিত অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা।
