সংবাদ · general
শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা, মাদ্রাসায় আগুন ও পরিচালক আটক
২৪/১০/২০২৬

পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে (১০) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার পরিচালক আবু ইউসুফকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসাটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) গভীর রাতে উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের ভাউডাঙা কালুপুরপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘নূরে মদিনা আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায়’ এ ঘটনা ঘটে। আটক আবু ইউসুফ আতাইকুলা থানার খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুবের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ঈসায় প্রামাণিকের বাড়ি ভাড়া নিয়ে আবু ইউসুফ কয়েক বছর আগে ওই মহিলা মাদ্রাসা গড়ে তুলে পরিচালনা করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি চতুর্থ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক নিজের শয়নকক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এ সময় অন্য এক সহপাঠী বিষয়টি দেখে ফেলে বাইরে গিয়ে চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত পরিচালককে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবু ইউসুফকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ভাড়া বাড়িতে গড়ে ওঠা মাদ্রাসাটিতে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশরাফ জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির চাচা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, মাদ্রাসাতে আবু ইউসুফের সঙ্গে তার স্ত্রীও বসবাস করতেন। তবে ঘটনার দিন সকালে তিনি স্ত্রীকে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗