গরম পড়লে মাথাব্যথা, বৃষ্টি নামলে মাথায় যন্ত্রণা। অফিসে জরুরি মিটিং চলছে, দেখবেন হঠাৎ মাথায় টিপটিপ করে ব্যথা শুরু হল। আর যেমন-তেমন ব্যথা নয় যে, এক বার হল আর সেরে গেল। এক বার শুরু হলে ব্যথা কমার নামই নেই। একটা গোটা দিন তো বটেই, টানা দুই থেকে তিন দিন ধরে দেখবেন মাথাব্যথা ভোগাচ্ছে। মাথার যন্ত্রণা কমাতে ব্যথানাশক ওষুধ বেশি খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। তার চেয়ে ব্যায়াম অনেক বেশি নিরাপদ।
উত্তনাসন
ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়ান। কোমর, পিঠ থাকবে টান টান। এ বার কোমর থেকে শরীর ঝুঁকিয়ে দুই হাতের তালু দিয়ে মাটি স্পর্শ করার চেষ্টা করতে হবে। তবে হাঁটু ভাঙলে হবে না। শরীরচর্চা করার অভ্যাস না থাকলে খুব বেশি ক্ষণ এই অবস্থান ধরে রাখতে পারবেন না।
পশ্চিমোত্তনাসন
প্রথমে দুই পা টানটান করে সোজা হয়ে বসুন। শ্বাস নিতে নিতে দুই হাত মাথার উপরে তুলুন। শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাতসহ কোমর থেকে সামনের দিকে বেশ খানিকটা ঝুঁকে মুখ হাঁটুতে স্পর্শ করুন। আসন করার সময় পেট ভিতরের দিকে হালকা টেনে রাখুন। আগের অবস্থায় ফেরার সময় শ্বাস নিতে নিতে হাত ওঠান এবং শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত নামিয়ে নিন। দিনে তিন থেকে পাঁচ বার এটি করুন।
অধোমুখ শবাসন
এই আসনটি রোজ অভ্যাস করলে মাথার যন্ত্রণা কমে যাবে। ‘হেমিক্রেনিয়া কন্টিনিউয়া’-র ব্যথা তো বটেই, মাইগ্রেনের কারণে যন্ত্রণা হলে তা-ও সারবে। আসনটি করতে প্রথমে হামাগুড়ি দেওয়ার মতো করে বসুন। হাতের তালু মাটিতে থাকবে, পিঠ উপরের দিকে তুলতে হবে, পায়ের পাতা মাটি স্পর্শ করে থাকবে। দেখতে লাগবে অনেকটা ইংরেজি ‘ভি’ অক্ষরের মতো। মাথা যতটা ঝোঁকাতে পারবেন, ততই ভাল। এই ভঙ্গিমায় ২০ সেকেন্ড থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসুন।
