সিলেটের গোয়াইনঘাটে সাবেক ছাত্রদল নেতা বদরুল আলমকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আমিনুর রশিদ (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের গোরাগ্রাম এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত বদরুল আলম (৩২) হাদারপার গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রুস্তুমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা যুবদলের পদপ্রত্যাশী ও একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে মুঠোফোনে খবর পেয়ে এক সহযোগীকে নিয়ে গোরাগ্রাম এলাকায় যান বদরুল। পরে ভোরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, তাঁদের ওপর একদল লোক হামলা চালিয়েছে। এরপর গোরাগ্রামের বন্দরবাড়ি মসজিদসংলগ্ন সড়ক থেকে বদরুল ও তাঁর সহযোগী সাদেককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পরে তাঁদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সাদেক সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা ব্যবসার টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে।
নিহতের ভাই মাওলানা আখলাকুল আম্বিয়ার দাবি, ব্যবসার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে বদরুলকে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে, আহত সাদেক অভিযোগ করেছেন, টাকা নিয়ে ফেরার পথে গোরাগ্রামের শাহীন ও তাঁর ভাইয়েরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত ফল এখনো জানা যায়নি।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে গোরাগ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে আমিনুর রশিদকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। অন্য জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
