দু’বছর পর অবশেষে স্বস্তি। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জামিন পেলেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। পুজোর সময়ই এই রায়ে স্বভাবতই বড় স্বস্তি মিলল তাঁর। সব ঠিক থাকলে পুজোর মধ্যেই জেলমুক্ত হতে পারবেন আর জি করের প্রাক্তন চিকিৎসক। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে আর জি করে তরুণী গবেষকের ধর্ষণ-খুনের পরপরই আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হন সন্দীপ ঘোষ। সূত্রের খবর, এই মামলায় বিচারপ্রক্রিয়া ধীর গতিতে চলছে, এই যুক্তিতে শীর্ষ আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে।
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, দু’বছরেরও বেশি সময় জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষ। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে ১৪৭ জন সাক্ষীর মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পূর্ণ হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ার এই ধীর গতির কথা মাথায় রেখে সন্দীপ ঘোষের জামিন মঞ্জুর করা হচ্ছে।
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ডাঃ সন্দীপ ঘোষ ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলবন্দি। ২০২৪ সালের আগস্ট হাসপাতালের গবেষক ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পরই সামনে আসে তৎকালীন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর পিঠ বাঁচাতে সেসময় অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দেন সন্দীপ ঘোষ। কিন্তু তাতেও রেহাই মেলেনি। হাসপাতালের মধ্যে এমন নৃশংস ঘটনার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছিল সিবিআই। পরে সন্দীপবাবুর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির মামলা হয়। তাই হাই কোর্ট বিচারের স্বার্থে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেনি।
কলকাতা হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যান আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ। শুক্রবার তাতেই স্বস্তি মিলল। বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, দু’বছরেরও বেশি সময় জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষ। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে ১৪৭ জন সাক্ষীর মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পূর্ণ হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ার এই ধীর গতির কথা মাথায় রেখে সন্দীপ ঘোষের জামিন মঞ্জুর করা হচ্ছে।অর্থাৎ কলকাতা হাই কোর্ট যে জামিনের বিরোধিতা করেছিল, তা খারিজ করে ষষ্ঠীতে সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে স্বস্তি দিল।
