Published on
:
2 min read
ম্যাচ চলাকালীন মাঠে ঢুকে পড়ল বাঁদর। তাকে দেখে ভয় পেয়ে ভারসাম্য হারিয়ে ঘাসের উপর পড়ে গেল কর্নাটকের ১৫ বছরের ক্রিকেটার উমা কাশভি (Uma Kashvi)। বৃহস্পতিবার নাগপুরে অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা টি-টোয়েন্টি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে কর্নাটক ও বিদর্ভের ম্যাচে ঘটে এই অদ্ভুত ঘটনা। তবে ভয় কাটিয়ে ম্যাচে দুরন্ত পারফরম্যান্স করে কাশভি। বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে কর্নাটককে ছ’ রানে জিততে সাহায্য করে সে। এই জয়ের ফলে প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালেও উঠেছে কর্নাটক।
মাঠে বাঁদর, ভয় পেয়ে পড়ে গেল ক্রিকেটার
ম্যাচের মাঝে বাউন্ডারির কাছে ফিল্ডিং করছিল কাশভি। সেই সময় আচমকাই তার দিকে ছুটে আসে একটি বাঁদর। সেটিকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ১৫ বছরের ক্রিকেটার। কিন্তু ভারসাম্য হারিয়ে ঘাসের উপর পড়ে যায় সে। তার পাশ দিয়ে ছুটে চলে যায় বাঁদরটি। কিছুক্ষণের জন্য খেলা থমকে যায়। পরে অবশ্য উঠে দাঁড়ায় কাশভি। তার পর আবার শুরু হয় ম্যাচ।
বল হাতে তিন উইকেট কাশভির
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৪০ রান তোলে কর্নাটক। এক সময় ৬৫ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল তারা। সেখান থেকে ষষ্ঠ উইকেটে ৩৮ রানের জুটি গড়ে দলকে সামাল দেন খুশি সূর্যকান্ত ও ইঞ্চারা উমেশ। অপরাজিত ৩৩ রান করেন খুশি। কর্ণিকা কার্তিকের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করলেও নিয়মিত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বিদর্ভ। স্বরা ঠাকরে ৩২ এবং সাক্ষী ভূপাল ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। তবে তাঁদের লড়াই দলকে জেতানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। সাত উইকেটে ১৩৪ রানেই থেমে যায় বিদর্ভের ইনিংস। চার ওভারে ১৮ রান দিয়ে তিন উইকেট নেয় কাশভি। তার এই পারফরম্যান্সেই জয়ের পথ সহজ হয় কর্নাটকের।
১০ লক্ষ টাকা বেস প্রাইস কাশভির
কাশভির সামনে এ বার আরও বড় সুযোগ। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই মহিলা প্রিমিয়ার লিগের (WPL) ২০২৭ সালের নিলামে নাম নথিভুক্ত করেছে সে। তাঁর বেস প্রাইস ১০ লক্ষ টাকা। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্স করে ফ্র্যাঞ্চাইজ়িগুলির নজর কাড়তে চাইবে কর্নাটকের এই তরুণ ক্রিকেটার।
এ দিকে কর্নাটক এ বার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে বরোদার। ২৪ অক্টোবর নাগপুরের লেডি অমৃতবাই দাগা কলেজ মাঠে হবে সেই ম্যাচ। একই মাঠে কর্নাটক-বরোদা ম্যাচের পর অন্য সেমিফাইনালে খেলবে দিল্লি ও হরিয়ানা। আপাতত বাঁদরের মাঠে ঢুকে পড়ার ঘটনা নিয়ে আলোচনা হলেও, কাশভির তিন উইকেট এবং কর্নাটকের জয়ই কোয়ার্টার ফাইনালের বড় প্রাপ্তি।