Published on
:
1 min read
এক কিমি দৌড়তেই যাঁর দম ফুরিয়ে যেত, সেই আইটি কর্মী এ বার সাঁতরে এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে পৌঁছে গিয়েছেন। বেঙ্গালুরুর ৩৪ বছর বয়সি সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার অক্ষয় শর্মা তাক লাগানো এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। ইস্তানবুলের বোসফরাস প্রণালীতে অনুষ্ঠিত সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি তিনি এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে যাওয়ার জন্য ফিটনেস ট্রেনিং শুরু করেছিলেন। এর পরে মাত্র তিন বছরে একের পর এক অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখালেন অক্ষয়।
গত ২৩ অগস্ট ২০২৬, অক্ষয়ের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ছিল। তুরস্কের বোসফরাস প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের কারণে সারা বছর সাঁতার নিষিদ্ধ। তাই আগে সেখানে নেমে অনুশীলনের কোনও সুযোগ ছিল না। হাতে জিপিএস বা স্মার্টওয়াচ নেওয়ার অনুমতিও নেই। চারপাশের প্রবল বিপরীত স্রোত তাঁকে প্রায় ৫ ফুট পিছনে ঠেলে দিয়েছিল। কিন্তু হার না মেনে মাত্র ১ ঘণ্টা ৩২ মিনিটে এশিয়ার দিক থেকে সাঁতরে ইউরোপের দিকে পৌঁছে যান তিনি। নির্ধারিত ২ ঘণ্টার আগেই ৬.৫ কিলোমিটার পথ শেষ করে তিনি আন্তঃমহাদেশীয় সাঁতারুর খেতাব জেতেন।
অক্ষয় কিন্তু পেশাদার অ্যাথলিট নন। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আইটিতে কাজ করছেন। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৫টায় উঠে প্রায় আড়াই ঘণ্টা সাঁতার কেটে তবেই তিনি অফিসের ল্যাপটপ খোলেন। দিনে প্রায় ১০ ঘণ্টা কাজ সামলে তিনি নিজেকে তৈরি করেছেন। এর আগে তিনি এভারেস্ট বেস ক্যাম্প, নেপালের ৬,১১৯ মিটারের লোবুচে শৃঙ্গ জয় এবং গোয়া ও মালয়েশিয়ার কঠিন আয়রনম্যান প্রতিযোগিতা সফল ভাবে শেষ করেছেন।