বকশীগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর রোজিনা আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত রোজিনা আক্তার বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়নের দক্ষিণ দত্তেরচর গ্রামের ওয়াজেদ আলীর মেয়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেনবকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ইয়াকুব আলী পলাতক রয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর শাশুড়ি ও ভাসুরসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তা জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন রোজিনা। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। সোমবার ভোরে কামালপুর হাইওয়ে সড়কের পশ্চিম পাশে একটি ঝোপ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ ও স্বজনদের খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বজনেরা মরদেহটি রোজিনার বলে শনাক্ত করেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কয়েক দিন আগে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে অথবা অন্য কোনোভাবে মৃত্যুর পর মরদেহটি সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে নিহতের শাশুড়ি ও ভাসুরসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি পলাতক স্বামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর সড়কের পাশের ঝোপ থেকে গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাট্টাজোড় ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
