সংবাদ · সাধারণ
জরুরি সংকট মোকাবেলায় মাঠে নামবে এপিবিএনের কমান্ডো
২৫/১০/২০২৬

পাঁচ শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে টার্গেট করে কড়া নিরাপত্তাআমেরিকার সহায়তায় সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণ পাচ্ছে বিশেষায়িত এই টিমনাশকতা ও বোমা হামলায় সবার আগে ছুটবে এপিবিএনরাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যেকোনো জরুরি সংকট, হামলা কিংবা নাশকতার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে তড়িঘড়ি ছুটে যাবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) বিশেষ প্রশিক্ষিত কমান্ডো টিম।দেশের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি কঠোর হস্তে দমনে উত্তরাস্থ সদর দপ্তরে ক্রাইসিস রেসপন্স টিমের (সিআরটি) সক্ষমতা ও কৌশলগত দক্ষতা বাড়াতে একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে।চার প্লাটুনে বিভক্ত এই এক টিমে ১০০ জনেরও বেশি কমান্ডো সদস্য কাজ করবেন, যারা দেশের পাঁচ শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখবেন। গত রাতে এপিবিএনের সদর দপ্তর থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।এপিবিএন সদর দপ্তরের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, ক্রাইসিস রেসপন্স টিমের সক্ষমতা, কৌশলগত দক্ষতা ও সার্বিক প্রস্তুতি বহুগুণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে। প্রশিক্ষণের আগেই কমান্ডো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সমন্বয়ে দলটির পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা আরও উন্নত করার জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, খুলনা, চট্টগ্রাম এবং অতিরিক্ত ১৩-এপিবিএন ব্যাটালিয়নে ইতিমধ্যেই ক্রাইসিস রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এপিবিএনের প্রতিটি ব্যাটালিয়নে এ ধরনের বিশেষ স্পেশাল টিম গঠনের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা পুরো বাহিনীর সামগ্রিক সংকট মোকাবেলার প্রস্তুতিকে দারুণভাবে জোরদার করবে।কর্মসূচির সার্বিক গুরুত্ব তুলে ধরে এপিবিএন প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি হাসিব আজিজ বলেন, "সংকটময় পরিস্থিতি কার্যকর ভাবে মোকাবেলায় একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও যে কোনো অভিযান পরিচালনায় প্রস্তুত।"এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে এপিবিএনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে অপরাধ বিশেষজ্ঞ ডিআইজি (প্রশাসন) মোহাম্মদ শাহজাহানসহ ঢাকাস্থ এপিবিএনের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।উত্তরা সদর দপ্তরের প্রাথমিক ধাপ শেষ হওয়ার পর মার্কিন সহায়তায় তাদের বিশেষ একটি ট্রেনিং সেন্টারে চূড়ান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আমেরিকার বিশেষ কোনো এলিট বাহিনীর আদলে গড়ে তোলা এই শক্তিশালী টিমের ১০০ সদস্যকে প্রথম ধাপে মাঠে নামানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা রক্ষায় এই বাহিনীকে আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তিতে সর্বাত্মক প্রস্তুত করা হচ্ছে।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗