নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৭ এএম
আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রকিবুজ্জামান পলাশকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুরাতন বাস টার্মিনাল চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।
আরও পড়ুন
এ দিকে, নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সরোয়ার জানান, নাশকতার মামলায় রকিবুজ্জামান পলাশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী পলাশের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে সদর থানায় দুটি মামলা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদ চঞ্চল শাহরিয়ার মীমকে সভাপতি ও রকিবুজ্জামান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক করে নড়াইল জেলা কমিটি ঘোষণা করেছিল।
এস এম শরিফুল ইসলাম/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
কোটচাঁদপুরে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় মো. নাঈম খান (২৮) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোটচাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার নাঈম খান কোটচাঁদপুর পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি পৌরসভার গাবতলা পাড়ার শওকত আলীর ছেলে।
আরও পড়ুন
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর কোটচাঁদপুর থানায় করা মামলার তদন্তে নাঈম খানের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলাটি সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯-এর সংশোধিত ধারায় করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার পূর্ববর্তী অপরাধসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
কোটচাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মাহফুজুর রহমান/নাঈম
আরও পড়ুন
অসুস্থ বিএনপি নেতাদের বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নিয়ে গেলেন এমপি বাবুল
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপহার নিয়ে অসুস্থ ও অসচ্ছল ত্যাগী দুই বিএনপি নেতার বাড়িতে হাজির হলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উপহার নিয়ে তিনি অসুস্থ নেতাদের পাশে দাঁড়ান। তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তার উদ্যোগও নেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর অসুস্থ দুই বিএনপি নেতার বাড়িতে যান সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।
অসুস্থ নেতারা হলেন, কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আইয়ুব খান এবং একই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মতি তালুকদার। তারা দুজনই দরিদ্রতা ও অসুস্থতায় ভুগছেন।
আরও পড়ুন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আইয়ুব খান অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আর্থিক সংকটের কারণে তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তার বাড়িতে গিয়ে পাশে দাঁড়ান সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।
আইয়ুব খানের শারীরিক অবস্থার কথা শুনে সেখানে বসেই একজন হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন তিনি। আইয়ুব খানের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি তাকে নগদ অর্থ সহায়তা দেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তার জন্য ফলের ঝুড়িও উপহার হিসেবে তুলে দেন।
অন্যদিকে, কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মতি তালুকদারের বাড়িতেও গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। অসুস্থ এই নেতার প্রতিও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন তিনি এবং তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার।
এ সময় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ত্যাগী বিএনপি নেতা-কর্মীদের খোঁজখবরের পাশাপাশি তাদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ নির্দেশনা পেয়েই আমি ছুটে এসেছি আপনাদের কাছে। আপনাদের জন্য যা যা ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, তা করতে আমি প্রস্তুত রয়েছি।
নয়ন/নাঈম
আরও পড়ুন
অসুস্থ দুই মন্ত্রীর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু। এ সময় তিনি মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত অবগত হন।
একই সময়ে মন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে উপস্থিত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জনাব রুহুল কবির রিজভী। তিনি মন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ অক্টোবর রাতে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে ড. আব্দুল মঈন খানকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি অধ্যাপক ডা. সাহাব উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুন
হাসপাতালে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মাননীয় মন্ত্রীর চিকিৎসার অগ্রগতি ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। তারা তার দ্রুত আরোগ্য ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেন এবং প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আন্তরিক সহমর্মিতা, শুভকামনা ও সুস্থতা প্রত্যাশার বার্তা পৌঁছে দেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপিকে দেখতে যান। এ সময় তিনি তার চিকিৎসার বিস্তারিত খোঁজখবর নেন এবং শারীরিক অবস্থার বিষয়ে অবগত হন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ডা. জাহিদুল কবির, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ডা. আউয়াল, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. জহিরুল ইসলাম, শজিমেক ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. আহসানুল কবীর, শজিমেক ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো. মেহরাব হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মোহাম্মদ আলী/এসএন
আরও পড়ুন
তামাবিল ইমিগ্রেশন থেকে জৈন্তাপুর আ. লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম
গ্রেপ্তার কামাল আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
-->তামাবিল ইমিগ্রেশন হয়ে ভারতে পালানোর সময় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বাংলাদেশ থেকে ভারতে গমনের উদ্দেশ্যে তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টে যান। এ সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করলে তাৎক্ষণিক সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানা আওতাধীন তামাবিল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ, ইমিগ্রেশন পুলিশ ও জৈন্তাপুর থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ ব্যাপারে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা খবরের কাগজকে বলেন, জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমদের নামে পাঁচটি মামলা আছে। আজ দুপুরে ভারতে পালানোর সময় তামাবিল ইমিগ্রেশন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
উল্লেখ্য, এর আগেও কামাল আহমদ ভারতে পালানোর সময় জৈন্তাপুর উপজেলার ডিবির হাওর এলাকায় জনতার হাতে অবরুদ্ধ হন এবং পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল।
