

জবানের সম্পাদক রেজাউল করিম রনি বিটিভির নিয়োগ নিয়ে একটি ছবি পোস্ট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে স্ট্যাটাস দেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টটি হুবহু দেয়া হলো- দেশ চালায় বিএনপি কিন্তু আমাকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জায়গায় নিয়োগ দিয়ে বেড়ায় জাশি-এনসিপি।
বিষয়টা খুব মজার, অবশ্যই ব্যাপক মজার। বিরাট সৌভাগ্য আমার। আমার চারকী নিয়ে আমার চেয়ে বেশি টেনশন তাদের। বাংলাদেশে আমার মতন সৌভাগ্যবান কয়জন আছে? ওরা যেমন সকাল বিকাল ফেবুতে সরকার গঠন করে ফেলে তেমনি আমাকেও জাগায়-বেজাগায় নিয়োগ দিয়ে বেড়ায়। এইসব দেখে আমার এখন একটাই প্রশ্ন মানুষ পাগল হলে কি জাশি-এনসিপি করে নাকি জাশি-এনসিপি করে পাগল হয়....? উত্তর আমি জানি না।
দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন- সেটাই উত্তর।
দুর্গাপূজা নিয়ে তাহেরের নামে ভাইরাল ফটোকার্ড, জামায়াত বলছে ভুয়া
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরকে উদ্ধৃত করে দুর্গাপূজা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো একটি ফটোকার্ডকে ভুয়া বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জোবায়দা রহমান’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘দুর্গা পূজা শুধু হিন্দুদের নয়, এটি আমাদেরও: জামাত নেতা তাহের’ লেখা একটি ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে। ফটোকার্ডটি মিথ্যা ও ভুয়া বলে দাবি করেন জুবায়ের। তিনি বলেন, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। এমন পরিস্থিতিতে তাকে উদ্ধৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ফটোকার্ডটির নিন্দা জানাচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে দেশবাসীকে এ ধরনের তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান। বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে সম্মানিত ব্যক্তিদের বিতর্কিত ও সম্মানহানির চেষ্টা করছে একটি পক্ষ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।

বট ফোর্সকে দিয়ে গালাগালির জন্য বিটিভিতে নামফলক বসিয়ে ছবি তোলা হয়েছে: রনি
বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) একটি কক্ষে নিজের নামে নামফলক বসিয়ে ছবি তোলার মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো এবং বট ফোর্সকে দিয়ে গালাগালি করানোর অভিযোগ তুলেছেন কবি, চিন্তক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক রেজাউল করিম রনি। তিনি দাবি করেছেন, বিটিভিতে তার নামে কোনো ব্যক্তিগত কক্ষ নেই। একটি কক্ষে অন্যদের সঙ্গে অনিয়মিতভাবে বসে আলোচনা করার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তাকে বিটিভি দখলের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন রেজাউল করিম রনি। এ সময় তিনি দুটি সংবাদমাধ্যমের সমালোচনাও করেন। ফেসবুক পোস্টে রনি লেখেন, ‘এই দেশে জাতীয় স্বার্থে আপনি কোনো কাজ করতে পারবেন না। আপনাকে সব কিছু করতে হবে জামায়াতী স্বার্থে। তাহলেই আপনি সঠিক এবং নিরপেক্ষ। নইলে যে কোনো মূল্যে আপনার চরিত্র হনন করা হবে। ৫ তারিখের পরে লীগের এই খাসলত তারা ভালোমতোই রপ্ত করেছে।’ তিনি বলেন, ‘এই চরিত্র হননের জন্য এরা কিছু মিডিয়াও খুলে ফেলেছে। সেটা সমস্যা না। গোদের উপর ফোড়ার মতন এরা আবার ভুয়া তথ্য প্রতিষ্ঠার জন্য ফ্যাক্টচেক দোকানও খুলেছে। তেমনি একটি কুখ্যাত দোকান দি ডিসেন্ট। এমনই একটি মিডিয়া ওয়াদ্দা। এরা ভুয়া তথ্যের ভুয়া ফ্যাক্টচেক করে সারা দিন প্রচার করছে আমি বিটিভিতে নাকি একটি রুম নিজের নামে দখল করে নিছি। বিটিভিতে আমি নিয়মিত যাই শো করতে ৫ তারিখের পর থেকেই এবং বিটিভির কনটেন্ট উন্নত করার বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব নিয়মিত পরামর্শ দিতে আসেন। তাদের মতন আমি অনিয়মিত যাই। পরামর্শ দেই। অনেকে বেসরকারী মিডিয়াও আমার পরামর্শ নেন এই বিষয়ে।’ রেজাউল করিম বলেন, ‘একটা রুমে অনেকের সাথে আমরা অনিয়মিত ভাবে বসি কথা বলার জন্য। এটাকে তারা আমার বিটিভি দখল হিসেবে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। প্রমাণ হিসেবে একটা দেয়ালে আমার নামে ছবি হাজির করছে। আপনারা জানেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে পতিত ও গুপ্তরা একজোট হয়ে কাজ করে। এটা তাদের উতরামির বাই প্রোডাক্ট ছাড়া আর কিছু না।’ এই এক্টিভিস্ট বলেন, ‘এই গান্ডুগুলা একটা মিথ্যাও ঠিক মতন বলতে পারে না। আমি কোন পদে জয়েন করলে প্রথমে আমার নিয়োগ পত্র থাকবে। হোক স্থায়ী বা অস্থায়ী। নিয়োগ পত্র থাকবে এবং নামের সাথে পদবি থাকতো। শুধু নাম থাকে না। বিটিভির প্রতিটি নামফলকে পদবি সহ দেয়া আছে। শুধু আমার নামটাই পদবি ছাড়া। এই নামটাই তাদের কাছে আতঙ্ক। এতটা লুজার হওয়ার কি ঠিক হলো?’ তিনি আরও বলেন, তাদের সাংবাদিকতার প্রতিভা দেখে আমি টাসকিত। ডিসেন্ট বিরাট আবিষ্কার করে লিখেছে, ‘দ্য ডিসেন্ট নিশ্চিত হয়েছে ভাইরাল হওয়া ছবিটি বিটিভি ভবনে তোলা এবং সেখানে রেজাউল করিম রনি বসেন’। তার মানে প্রপাগান্ডা ও বট ফোর্সকে দিয়ে গালাগালির জন্য ছবি তুলেছে এই নামফলক বসিয়ে। এবং এটাকেই রনির বিটিভি দখল বলে প্রচার করছে। আমি আজও গিয়েছিলাম বিটিভিতে এবং কোনো নাম দেখি নাই। আমার নামে কোনো পারসোনাল রুম নাই। থাকলে নিদেন পক্ষে সেটার চাবি আমাকে দেওয়া হতো। অনেকের সাথে আমরা গেলে আমাদের কখনও ডিজির রুমে, তিনি ব্যস্ত থাকলে পাশের রুমে বসতে দেওয়া হয়। সেটাকেই আমার রুম বানিয়ে দিয়ে ডিজিকে ঘিরে অকথ্য সব প্রপাগান্ডা করছে এই চক্রটি।’ তবে এ বিষয়ে ভিন্ন কথা বলেছেন বিটিভির মহাপরিচালক কাজী জেসিন। তিনি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেছেন, ‘বিটিভির কোন প্রোগ্রামের জন্য প্রয়োজন হলে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্নজনকে দিয়ে সব সময়েই কাজ করানো হয়ে থাকে। আমাদের একটা প্রোগ্রামের রিসার্চের জন্য তাকে (রেজাউল করিম রনি) রাখা হয়েছে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে। সে এখানে আসে, একটা রুমে পাঁচজন বসে, সেই রুমে সেও (রেজাউল করিম রনি) বসে। এটা কোনো চুক্তিভিত্তিক নিয়োগও না।’

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড, গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে যে আক্ষেপের কথা লিখেছিলেন নজরুল
‘চিন্তা কমাতেও চিন্তা করতে হয় মধ্যবিত্ত সন্তানদের’- গ্রেপ্তার হওয়ার আগে ২০২৩ সালের ৩ মে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমন আক্ষেপের কথাই লিখেছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসী যুবক নজরুল ইসলাম মাহিন। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে সাত লাখ টাকা ঋণ করে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মধ্যবিত্ত পরিবারের সেই দুশ্চিন্তা আর দূর করা হলো না তার। মক্কায় নজরুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশের পর তার পুরোনো ফেসবুক পোস্টগুলো ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নজরুল ইসলাম মাহিন নামের ফেসবুক প্রোফাইল ঘুরে দেখা যায়, প্রবাসজীবনের শুরু থেকেই মধ্যবিত্ত জীবনের নানা টানাপোড়েন ও স্বপ্নের কথা নিয়মিত তুলে ধরতেন তিনি। ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর দেশ ছাড়ার সময় বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তোলা ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছিলেন, ‘গুড বাই বাংলাদেশ’। সবাই অনেক মনে পড়ছে, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’ সৌদি আরবে যাওয়ার কিছুদিন পর, ওই বছরের ২৯ নভেম্বর আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ভাব নেয়াটা আমাকে মানায় নাহ, কারণ আমি মধ্যবিত্ত।’ এরপর ২০২৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ঘাসের ওপর শুয়ে থাকা একটি ছবি দিয়ে লেখেন, ‘পকেটে টাকা থাকলে তোমরা দুনিয়া কিনতে পারবে।’ পরবর্তী সময়ে মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ পান নজরুল। ২০২৩ সালের ৮ মার্চ কাবা শরিফের সামনে নীল রঙের ইউনিফর্ম পরা নিজের একটি ছবি পোস্ট করে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ ক্লিনার মক্কা হেরাম শরিফ।’ তার ওই পোস্টে হাজারো মানুষ শোক ও সমবেদনা জানিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০২২ সালের নভেম্বরে সৌদি আরবে যাওয়ার প্রায় ছয় মাস পর মক্কার একটি মসজিদে এক তরুণীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নজরুলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে দেশটির পুলিশ। তিন বছর তিন মাস কারাগারে থাকার পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বিরামপুর গ্রামের চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন নজরুল। তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর শুনে ওই দিন রাতেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তার ফুফু আবেদা বেগম। নজরুলের মা রহিমা বেগম জানান, কারাগারে থাকা অবস্থায় প্রতি রোববার পরিবারের সঙ্গে কথা বলতেন নজরুল। কিন্তু হঠাৎ করেই পরিবারকে কিছু না জানিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। গণমাধ্যম ও ফেসবুকে প্রকাশিত খবরের মাধ্যমেই প্রথম ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারেন তারা। নজরুলের বাবা আব্দুল বাছির আক্ষেপ করে বলেন, সাত লাখ টাকা ঋণ করে সংসারের হাল ধরতে ছেলেকে প্রবাসে পাঠিয়েছিলেন তিনি। সৌদি আরবে যাওয়ার ছয় মাস পর থেকেই ছেলে কারাগারে ছিল। এর মধ্যে মাত্র দেড় লাখ টাকা পাঠাতে পেরেছিল। এখন একদিকে ঋণদাতাদের চাপ, অন্যদিকে ছেলেকে হারানোর শোক। কী কারণে ছেলে কারাগারে ছিল, তা-ও জানতেন না তিনি। এখন অন্তত ছেলের মরদেহ দেশের মাটিতে ফিরিয়ে আনতে চান। এদিকে, তিন বছরের বেশি সময় কারাগারে থাকার পরও বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরিবারকে কিছু না জানানো এবং আইনি সহায়তার ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সামাজিক সংগঠকেরা। দ্রুত সরকারি উদ্যোগে নজরুলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা। হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার্স সোসাইটির (এইচআরডিএস) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. সুজন সরকার বলেন, ‘প্রবাসে কাজ করতে গিয়ে কোনো রেমিট্যান্সযোদ্ধা এভাবে বিচারিক প্রহসনের শিকার হবেন, তা দুঃখজনক। বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা নিয়েও অনেক প্রশ্ন উঠছে। তারা সঠিক পদক্ষেপ নিলে হয়তো জীবনগুলো রক্ষা পেত।’ সামাজিক সংগঠক শামীম আহমেদ বলেন, ‘তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের দুজন নাগরিক এভাবে কারাগারে ছিলেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। অথচ বাংলাদেশ দূতাবাস বিষয়টি জানত না- এটা কীভাবে সম্ভব? তাদের মূল কাজ কী, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। শুধু এই বিচার নয়, সৌদি আরবে নারী কর্মীদের যৌন হয়রানি থেকে শুরু করে অমানবিক নির্যাতনের খবরও বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এসব ঘটনা বন্ধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়ার কথা শুনিনি।’ এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো আবেদন করা হয়নি। মরদেহ দেশে এলে নিয়ম অনুযায়ী সহায়তা করা হবে।’

বিটিভিতে রনি বসেন যে কক্ষে, জানালেন মহাপরিচালক কাজী জেসিন
অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও লেখক রেজাউল করিম রনির নামে একটি নেইমপ্লেটের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল। কিছু পোস্টে দাবি করা হয়েছে, ওই নেইমপ্লেট বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি কক্ষের; যেখানে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অ্যাক্টিভিস্ট রেজাউল করিম রনি বসেন। এ বিষয়ে ডিজিটাল ইনভেস্টিগেটিভ মিডিয়া আউটলেট ‘দ্য ডিসেন্ট’ - এর ফেসবুকে একটি পোস্ট করা হয়। তারা নিশ্চিত হয়েছে ভাইরাল হওয়া ছবিটি বিটিভি ভবনে তোলা এবং সেখানে রেজাউল করিম রনি বসেন। তবে রনি দাবি করেছেন, ছবিটি তার অফিসের এবং একই সাথে বলেছেন, বিটিভিতে তার কোনো অফিস নেই। তবে ছবিটি তার কোন অফিসে তোলা সেটা স্পষ্ট করে বলেননি তিনি। বিটিভির মহাপরিচালক কাজী জেসিন বলেছেন, ‘বিটিভির কোনো প্রোগ্রামের জন্য প্রয়োজন হলে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্নজনকে দিয়ে সব সময়েই কাজ করানো হয়ে থাকে। আমাদের একটা প্রোগ্রামের রিসার্চের জন্য তাকে (রেজাউল করিম রনি) রাখা হয়েছে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে। সে এখানে আসে, একটা রুমে পাঁচজন বসে, সেই রুমে সেও (রেজাউল করিম রনি) বসে। এটা কোনো চুক্তিভিত্তিক নিয়োগও না।’ এর বাইরেও বিটিভির অন্তত দুটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, রেজাউল করিম রনির নেইমপ্লেটযুক্ত ছবিটি বিটিভি ভবনের। একটি সূত্র জানায়, রেজাউল করিম রনি বসেন বিটিভির হেড অফিসে। ১২ তলা ভবনটির ৫ম তলায়। একই ফ্লোরেই ডিজি কাজী জেসিনের রুম। এক মাসের মতো হলো বসছেন রনি। বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিভিন্ন কক্ষে যারা বসেন তাদের নাম এবং পদবি থাকে। এমনকী কে কোন গ্রেডের কর্মকর্তা সেটিও লেখা থাকে। কিন্তু রনির রুমের সামনের নেইমপ্লেটে সেটি নেই। শুধু নাম আছে,পদরি নেই। তবে বিটিভিতে নিজের নামে কক্ষ থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন রনি। তিনি বলেন, ‘কেন? বিটিভিতে হবে কেন? আমার নেমপ্লেট, আমার রুমের ছবি। বিটিভির হবে কেন?’ প্রশ্ন করা হয়, তার নেইমপ্লেটযুক্ত রুমটি কোথায় অবস্থিত? ‘জবান’ নামক যেই পত্রিকাটি তিনি সম্পাদনা করেন সেটির অফিসে কিনা? তিনি উত্তরে শুধু বলেছেন, ‘আমার অফিসে’। আবার প্রশ্ন করা হয়, ‘তাহলে আপনি কি বিটিভিতে কোনো অফিস করেন না?’ উত্তরে বলেন, ‘বিটিভিতে আমি তো জয়েন করি নাই। বিটিভিতে তো আমি চাকরি করি না, আমার রুম থাকবে কেন? আরে ভাই এটা কমনসেন্সের ব্যাপার না? যেখানে আমি জয়েন করি নাই, ইয়ে করি নাই, সেখানে আমার নামের রুম থাকবে কেন? আমি বিটিভিতে যাই, বসি, কাজ করি। আমি তো বিটিভিতে প্রোগ্রাম করি রেগুলার, হ্যাঁ বিটিভিতে আমি রেগুলার যাই। প্রত্যেক সপ্তাহে দুইবার, তিনবার যাই।’ আবার প্রশ্ন করা হয়, তার মানে বিটিভিতে আপনার নামে কোনো কক্ষ নেই এবং আপনি সেখানে বসেনও না? উত্তরে শুধু বলেন, “হুম।” সূত্র : দ্য ডিসেন্ট

যে কারণে নুসরাতের ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের মুখে পড়েন ইশরাক হোসেন। এ প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এমন ঘোষণার পর ‘ক্ষমতা’ নিয়ে মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের একটি উদ্ধৃতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন তার স্ত্রী ব্যারিস্টার নুসরাত খান। যা ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ৩৪ মিনিটে দেওয়া ওই পোস্টে নুসরাত খান লেখেন, “Power properly understood is nothing but the ability to achieve purpose. It is the strength required to bring about social, political and economic change.” বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায়, “যথাযথভাবে বুঝলে ক্ষমতা হলো লক্ষ্য অর্জনের শক্তি। এটা সেই শক্তি, যা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনার জন্য প্রয়োজন।” এদিকে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নুসরাতের পোস্টে প্রায় ২৩ হাজার রিঅ্যাকশন ও ৮০০ কমেন্টস পড়েছে। এ ছাড়া পোস্টটি প্রায় ৪০০ শেয়ার হয়েছে।


