কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার আয়োজনকে সামনে রেখে সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। যা ঘিরে সরকার-উদ্যোক্তাদের চরম টানাপোড়ন প্রকাশ্যে এসেছিল। সেই ঘটনার মাসখানেক পর প্রথমবার সল্টলেকের বইমেলা প্রাঙ্গণে যৌথভাবে পরিদর্শন করল কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের গঠিত বইমেলার উপদেষ্টা কমিটি।
বুধবার দুপুরে গিল্ড কর্তৃপক্ষ ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়, সুধাংশু শিখর দে, সরকারি উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ বক্সিরা সল্টলেকের মেলা প্রাঙ্গণের বর্তমান পরিস্থিতি হালহকিকত খতিয়ে দেখেন সরেজমিনে। পাশাপাশি উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড, ইজেডসিসি এবং ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট (এনবিটি)–এর যৌথ উদ্যোগে এ বছর ২০২৭ সালে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা ৫০তম সুবর্ণজয়ন্তী বছর। তাই এবার বইমেলার আকর্ষণীয় থিম হতে চলেছে ‘ভারতবর্ষ’।
মেলার মাঠ জুড়ে বন্দেমাতরমের ১৫০ বছর, স্বাধীনতার ৮০ বছর, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, দেশভাগের যন্ত্রণা ইত্যাদি ভারতকেন্দ্রিক ভাবনা তুলে ধরা হবে। একইসঙ্গে স্টল বুকিং বা বরাদ্দে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়েছে। এরই আগে জমা পড়া আবেদনগুলিও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পোর্টালে অন্তর্ভুক্তকরণও হবে। আবেদনকারীদের প্রাথমিক বাছাইয়ের পর লটারির মাধ্যমে স্টল বণ্টন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আগামী ২২ জানুয়ারি মেলার উদ্বোধন হবে। চলবে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মেলার উদ্বোধনকে ঘিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, লেখক, সাহিত্যিক, কবি সহ একাধিক অতিথিদের থাকার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
