ঢাকা: বিএনপি নেত্রী ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের আয়, সম্পদ, ঋণ ও ফৌজদারি মামলার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
তবে কোনো প্রার্থী যদি আয়কর রিটার্নের সঙ্গে সম্পদের বিবরণী জমা দিয়ে থাকেন, তাহলে হলফনামায় নতুন করে বিস্তারিত তথ্য না দিলেও চলবে; সে ক্ষেত্রে গেজেটেড কর্মকর্তা বা আয়কর আইনজীবী কর্তৃক সত্যায়িত রিটার্নের কপি ও আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছে সংস্থাটি।
ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রার্থীদের দেশ-বিদেশে আয়ের উৎস, নিজেদের ও নির্ভরশীলদের সম্পদ এবং ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহীত ঋণের বিস্তারিত হিসাব দিতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীর বিরুদ্ধে বর্তমান ও অতীতের কোনো ফৌজদারি মামলা আছে কি না এবং তার রায়ের তথ্য জানাতে হবে। তবে অনেক পুরনো বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও খালাস পাওয়া মামলার বিশদ তথ্য দিতে না পারলে মনোনয়নপত্র বাতিল হবে না, কিন্তু দণ্ডপ্রাপ্তির তথ্য গোপন করা হলে তা অগ্রহণযোগ্য বলে গণ্য হবে। এছাড়া পূর্বে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকলে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ও তা বাস্তবায়নের বিবরণও দাখিল করতে হবে। ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বা কোর্ট ফি যুক্ত করে এই হলফনামা প্রস্তুত করতে হবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। পরদিন ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র বাছাই, ২৮ অক্টোবর আপিল এবং ২৯ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১ নভেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ২ নভেম্বর এবং আগামী ১২ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় নাম আসায় দলীয় নির্দেশে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে সংসদ সচিবালয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করায় এই উপনির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে।
