সংবাদ · সাধারণ
এ সপ্তাহের কবিতা
২৩/১০/২০২৬

নৈঃসঙ্গ-পাঁচালিহাসান হাফিজমৌন সন্ধ্যা উপেক্ষায়একা ঝরে যায়নিঃসঙ্গ পাতায়ধুলো আলিঙ্গনৎহাওয়ার মর্মরদুঃখ দেয় আরোউড়িয়ে ঝুরিয়েনিয়ে যায়অন্য ঠিকানায়অচিনা মোকামেকে আপন কে বা পরকে করে তালাশধু ধু হতাশ্বাসচরাচরে ব্যাপ্ত হয়তারও কাম্য নয়একাকিত্ববেদনা বিলাসঅথবা অধ্যাসএ রকমই অসম্পূর্ণমানবজনমআসলেই ভ্রম?নিয়ত সংশয়নাই কোনো লয়!বিষণ্নতা নয়, জ্বরের সন্তানআমেনা তাওসিরাততপ্ত রুটির মতো গল্প ছিল না;স্ফটিকাবৃত জলের মতো তুষারআর মাছেরা এক হয়ে গেলেবুদ্বুদহীন অ্যাকুরিয়ামের মৃত প্রাণেদেরউপকাহিনিতেকাচের শরীর হয়ে গেছি।শহর কফিন হয়েছে,শবদেহ ভালোবেসেধূসর অভিবাদনেফিরে গেছে,ইউরেশীয় সোনালি ওরিওলআর তার আনত মুখচ্ছবি।ক্ষয়প্রাপ্ত প্রেমআর প্রাচীনতম তাপিত মুহূর্ত—সংঘর্ষে কে কাকে হারায়?বিচূর্ণ বাতিঘরআর সমুদ্রশঙ্খদ্বিতীয়বার কাঁদতে শিখেছিল বলেএখনো অস্ফুটনীয় সিঁঁড়ির মতোশৈশব আর অর্কেস্ট্রাউঠে আসে।আত্মম্ভরি কোরাসসম্মেলনে একা হয়ে যায়। ঘরহীন ঘরে অমানিশাঅদ্বৈত মারুত আগলে রেখেছি ধূলিকণা— মুঠো মুঠো রোদপূজিত হিসেবী বাহু বাঁকা করে অসংখ্যবারশতভাগ মেশাতে চেয়েছি জল আর তেলেরনগরের ফটক পাহারায় যখন পাগলা হাওয়াউঠোনে পুঁতে রেখেছি আলো, শান্তির বিশ্বাসগুল্মলতায় ঢেকে রেখেছি গাছ; চড়ুই-সংসারসব্জির নিসৃত শক্তির সঙ্গে কত হলো আলাপনিদ্রা-নিশীতে, অমানিশা ঘোরে একই ছিলামতবু ছায়া পড়ে ঢেকে গিয়েছে নরম খরগোশখুন হচ্ছে চনমনে হাওয়া— পাহাড়ি তারাফুলঅসুর সন্ধ্যায় ধোঁয়া ওঠা মেঘেদের হুইসেলেঘরহীন না-ঘরে থেকে ওষ্ঠ আমার মরুর দেশউলঙ্গ পৃথিবী চোখ পাকিয়ে দেখলে দেখুক বুকদেহের দুয়ার রুদ্ধ; রহস্যের মুখোমুখি করে—বলুক না-হয় আমাকেই উজবুক।শারদ পদাবলিবাবলু মওলাকএবার পুজোয় জল হবো জলের কাছেতুই আসিসতোর তৃষিত গ্রীবায় এঁকে দেবো জলের ছাপচিহ্ন।খপুজোর আরাধনা শেষেনক্ষত্ররা যখন ঘুমিয়ে পরেতোকে প্রার্থনার প্রহর শুরু হয় আমার।গদুর্গা দেবীর মতো তোর কপালেও একদিনএঁকে দিয়েছিলাম চন্দন তিলকতুই ভুল করে, ভুল হাতে মুছে ফেলেছিস।ঘসবাই যখন দেবীর বোধনে পূজার্চনায় মগ্নআমি খুব নিরালে বিধুর মনে তোকে ধ্যান করি।ঙএক দীপাবলি শেষেতোর ওষ্ঠে লিখে দেবো প্রেম পঙ্ক্তিসরল স্বীকারোক্তি।চরোজ রোজ তোর নামেসন্ধ্যাবন্দনা হয় আমার মন্দিরেআমি তোর নেশায় বুঁদ হয়ে থাকি।ছঢাকের বোল, শাঁখের ধ্বনি, কাঁসর ঘন্টায় যখনমুখরিত দুর্গা দেবী, তখনআমি ঠিক তোর রিনিঝিনি চুড়ির শব্দে মোহিত হই।জএই বিজয় দশমীর আরতি পরেমা ফিরে যাবেন মর্ত থেকে কৈলাশেআর, তুই আমার উপাস্য প্রেম হয়ে থাকিস।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗