ঝিলম গুপ্তের ‘ইঁদুর’ গান প্রশংসা কুড়িয়ে সর্বত্র। সেই গানের সূত্র ধরেই প্রথম তাঁর মুখে শোনা যায় প্রিয় মানুষটির কথা। সেই থেকেই শুরু…
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:০২
সমাজমাধ্যম থেকে টিভির পর্দা, নেটপ্রভাবী ঝিলম গুপ্তের ‘ইঁদুর’ গান প্রশংসা কুড়িয়ে সর্বত্র। সেই গানের সূত্র ধরেই প্রথম তাঁর মুখে শোনা যায় প্রিয় মানুষটির কথা। সেই থেকেই শুরু আলোচনা।
০২ / ১০
যদিও প্রেমের বীজ বপন হয়েছে অনেক আগেই। পুজোর মুখে ‘বিগ বস’-এর দুর্গ থেকে ঘরে ফিরেছিলেন বিশেষ বন্ধু পৌলমী গুহর হাত ধরেই।
০৩ / ১০
এ বার হাত ধরেই কেটে গেল দুর্গাপুজোটাও। সেই সব মুহূর্তই ভাইরাল সমাজমাধ্যমে। কখনও অষ্টমীতে শাড়ি-পাঞ্জাবিতে, আবার কখনও দশমীতে সিঁদুরে রাঙা হয়ে ছবি দিয়েছেন দু’জনে।
০৪ / ১০
পুজোর ক’টি দিন একসঙ্গেই কাটিয়েছেন তাঁরা।
০৫ / ১০
প্রসঙ্গত, সমাজমাধ্যমে বরাবরই জনপ্রিয় ঝিলম। রিলসের দুনিয়ায় তাঁকে এক ভাবে দেখা গেলেও ‘বিগ বস’-এর ঘরে তাঁকে বেশ অন্যভাবেই পেয়েছেন দর্শক।
০৬ / ১০
নিজেই স্বীকার করেছেন, তিনি কিন্তু ভারী রোম্যান্টিক। বিশেষ বন্ধুর সঙ্গে একান্তযাপনের ছবিতেও ধরা পড়েছে সেই রসায়ন।
০৭ / ১০
তা হলে প্রেমের ক্ষেত্রেও কি আর রইল না রাখঢাক? অনুরাগীরা মনে করছেন খানিকটা তাই-ই। পাশাপাশি চর্চিত জুটিকে ভরিয়েছেন ভালবাসাতেও।
০৮ / ১০
তবে কেবল পৌলমীই নন, ঝিলমের পুজোর ফ্রেমে বন্দি হয়েছেন ‘বিগ বস’-এর ঘরের সদস্যরাও।
০৯ / ১০
ছিলেন আলেকজ়ান্দ্রা এবং তাপস-কন্যা সোহিনী পালও। এক সময়ে খেলার ময়দানের প্রতিপক্ষ হলেও বর্তমানে চুটিয়ে মজা করেছেন তাঁরা।
১০ / ১০
ঝিলমের সমাজমাধ্যমে পাতায় জ্বলজ্বল করছে সেই সব মুহূর্ত। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
পরবর্তী গ্যালারি
পুজোর পরেও ঝিমুনি, আলস্য? শরীরকে চনমনে করতে রোজের রুটিনে আনুন এই কয়েকটি বদল
উৎসবের রেশ কাটতেই ক্লান্তি, অবসাদের ঢেউ। পুজোর পর এমন সমস্যার মুখোমুখি হন অনেকেই। কান্ত শরীরকে চনমনে করে তুলতে প্রয়োজন রোজের জীবনযাত্রায় খানিক পরিবর্তন।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:৩৫
০১ / ০৯
পুজো শেষ। উৎসবের অসমাপ্ত রেশ নিয়েই ফিরতে হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনের ছন্দে। স্কুল-কলেজ ও অফিসের একঘেয়েমি কাটিয়ে ওঠার আগেই শরীর ক্লান্ত! সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব, কাজে মন না বসা, ঘুম থেকে উঠেই অবসাদ, এ যেন বর্তমানে হয়ে উঠেছে রোজনামচারই অংশ।
০২ / ০৯
পুজোর পর এমন সমস্যার মুখোমুখি হন অনেকেই। উৎসব-শেষের মনখারাপ তো আছেই, উপরন্তু টানা রাত জেগে ঠাকুর দেখা, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকা, পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রামের অভাব, শরীরের স্বাভাবিক রুটিনে প্রভাব ফেলতে পারে।
০৩ / ০৯
ক্লান্ত শরীরকে চনমনে করে তুলতে প্রয়োজন রোজের জীবনযাত্রায় খানিক পরিবর্তন। এক দিনে ফল না মিললেও ধীরে ধীরেই ফিরুন স্বাভাবিক নিয়মে।
০৪ / ০৯
প্রথমেই আসে ঘুম। সারাদিনে ঘুমের সময় ঠিক রাখুন। ক্লান্তি কাটানোর সেরা উপায় হল পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠা এবং সাত থেকে নয় ঘণ্টা বিশ্রাম নিশ্চিত করতে পারলেই শরীর ফিরবে পুরনো মেজাজে।
০৫ / ০৯
পর্যাপ্ত জল পান করার দিকেও নজর দিন। পুজোর ভিড়ে ঘোরাঘুরি, ঠাকুর দেখা, সবকিছুর ফাঁকে শরীরে জলের ঘাটতি হওয়াটাই স্বাভাবিক। এর ফলেও ক্লান্তি, মাথাধরা এবং মনোযোগের অভাব দেখা দিতে পারে।
০৬ / ০৯
শরীরের চাহিদা অনুযায়ী জল পান করার পাশাপাশি নিয়মিত ফল, শাকসবজি ও জলসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ারও অভ্যাস গড়ে তুলুন।
০৭ / ০৯
পুজোর পর শারীরচর্চার ইচ্ছা থাকলে প্রথমে কঠিন ব্যায়াম বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট হালকা হাঁটাহাঁটি দিয়েও শুরু করতে পারেন। শরীর সঙ্গ দিলে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে দিন।
০৮ / ০৯
চা-কফির উপর অতিরিক্ত নির্ভর করার প্রয়োজন নেই। ক্যাফিন সাময়িক ভাবে কাজে আসলেও পর্যাপ্ত ঘুমের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এটি। পাশাপাশি প্রাধান্য দিন মনের বিশ্রামকেও।
০৯ / ০৯
তবে সাবধান! পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাবার এবং বিশ্রামের পরেও যদি ক্লান্তি না কমে, বা সেই সঙ্গে ভোগায় শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ, তা হলে বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত যোগাযোগ করুন চিকিৎসকের সঙ্গে। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
