সিনেমার বাইরে কী করছেন শবনম
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়িকা শবনম। অভিনয়ে নেই বহুদিন। বর্তমানে বাসাতেই নিজের মতো সময় কাটাচ্ছেন তিনি। কেমন করে সময় কাটছে বিগত কয়েক দশক?– এমন প্রশ্ন করতেই শবনম জানান, নিয়মিত টিভি দেখে, পত্রিকা পড়ে, ফেসবুক স্ক্রল করে, মাঝে মাঝে বিভিন্ন দাওয়াতে অংশগ্রহণ করে, কখনো কখনো দেশের বাইরে গিয়ে নিজের মতো করে সময় কাটে তার। তবে শবনম জানান, তার স্বামী প্রখ্যাত রবিন ঘোষ মারা যাওয়ার পর তিনি আরও অনেক বেশি গৃহবন্দি হয়ে গেছেন। মন চাইলেও তেমন কোথাও যেতে চান না তিনি। শবনম জানান, পরম সৌভাগ্য যে তার একমাত্র সন্তান তার ছেলে তার সঙ্গেই আছেন।
শবনম বলেন, ‘আমার একমাত্র সন্তান রনির আজ জন্মদিন। একজন মা হিসেবে রনিকে নিয়ে গর্বিত। এখন আসলে সময়টা বদলে গেছে। দেশে বিশেষত মা-বাবার সন্তানদের নিয়ে নানান ধরনের খবর দেখি, সেদিক বিবেচনায় আমার রনি সোনার টুকরা ছেলে। আমাকে একটুও কষ্ট করতে দেয় না। মা বলতে সে পাগল। আজ সেই আমার আদরের ছেলেটির জন্মদিন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। আর সত্যি বলতে কী, ছেলের সঙ্গেই সময় কাটে আমার। মাঝে মাঝে টিভিতে সিনেমা দেখি, খবর দেখি, ফেসবুকে নানান খবরাখবর পাই। দেশ-বিদেশ সম্পর্কে কিছুটা অবগত থাকি।
তবে হয়তো এই জীবনে আর সিনেমা করা হবে না। কারণ শরীর এখন আর আগের মতো ভালো নেই। কোনো না কোনো অসুখ লেগেই আছে।’ শবনম অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’। এ বছর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তিনি আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন জারিও হয়েছে। তবে এখনো অনুষ্ঠান হওয়ার কোনো খবর নেই।
আরও পড়ুন
নান্দনিকের ৪৯ বছর পূর্তি উৎসব, মঞ্চে নাটক ও সিনেমার আয়োজন
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->১৬ অক্টোবর ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠা হয় নাট্যদল নান্দনিক নাট্যসম্প্রদায়। এ বছর নান্দনিক নাট্যসম্প্রদায় ৪৯ বছর পূর্ণ করছে। এ উপলক্ষে আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর ২০২৬, দুই দিনব্যাপী ‘৪৯ বছর পূর্তি উৎসব’-এর আয়োজন করতে যাচ্ছে দলটি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় আয়োজিত এই উৎসবে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশবরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
উৎসব প্রসঙ্গে নান্দনিক সভাপতি আ মা ম হাসানুজ্জামান বলেন, ‘নাটকের মাধ্যমে সমাজজীবনের সব জটিলতাকে ছিন্ন করে সুস্থ ও সৎ নাট্যচর্চার ক্ষেত্র সৃষ্টি করা আমাদের কর্তব্য। আমাদের এই ৪৯ বছর পূর্তি উৎসব-মুহূর্তে অভিনন্দন জানাচ্ছি দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের। তাদের অকুণ্ঠ সহযোগিতা আমাদের প্রযোজনাসমূহকে মঞ্চে নিয়ে আসতে সাহায্য করেছে।’
নান্দনিক নাট্যসম্প্রদায়ের সাধারণ সম্পাদক বদরুদ্দোজা বলেন, ‘নান্দনিক বাংলাদেশের মঞ্চনাটকের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী একটি সংগঠন। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আমরা ৪৯ বছরের এই দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছি। নান্দনিক চেতনা জাগ্রত হোক, তোমার-আমার সবার প্রাণে– এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রার অংশীদার হতে চাই।’
২২ অক্টোবর বিকেল ৫টা ৩০ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যা ৭টা ৩০ প্রদর্শিত হবে কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত মঞ্চনাটক ‘নৃপতি’। ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় ‘নৃপতি’ এবং সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে প্রদর্শিত হবে সোহেল রানা বয়াতি নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নয়া মানুষ’।
আরও পড়ুন
বিশ্বমঞ্চে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশি সিনেমা
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নিশি’। আবারও নতুন রেকর্ড গড়ল সিনেমাটি। বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষার্থী চলচ্চিত্র উৎসব ‘ভিজিআইকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী উৎসব’-এ নির্বাচিত হয়েছে ‘নিশি’। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো এই উৎসবে নির্বাচিত হয়েছে কোনো বাংলাদেশি চলচ্চিত্র!
প্রযোজনা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া জানিয়েছে, বিশ্বের সর্বপ্রথম চলচ্চিত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাশিয়ার বিখ্যাত ‘গেরাসিমভ ইনস্টিটিউট অব সিনেমাটোগ্রাফি’ আয়োজিত এই ঐতিহাসিক উৎসবের ৪৬তম আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে গোলাম রাব্বানী ও জহিরুল ইসলামের যৌথ পরিচালিত চলচ্চিত্রটি।
গোলাম রাব্বানীর গল্প ও চিত্রনাট্যে ছবিটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, চা-বাগানের শ্রমিকের মেয়ে নিশি, চা শ্রমিক বিশ্বজিৎ, গণেশ ও ভারতী।
এ সম্পর্কে নির্মাতা গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘বাংলা সিনেমার ইতিহাসে নিশি একের পর এক রেকর্ড গড়ছে, সত্যিই এটা আনন্দের খবর। এই অর্জন শুধু আমাকে নয়, আমাদের ফিল্ম ইতিহাসকে বিশ্বের দরবারে সমৃদ্ধ করবে।’
আগামী ১৬ থেকে ২০ নভেম্বর এই উৎসব রাশিয়ার মস্কোতে অনুষ্ঠিত হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশ, গ্রিন ফিল্ম স্কুল অ্যালায়েন্স ও ইউনেসকো ঢাকার সহযোগিতায় নির্মিত ‘নিশি’র গল্পে দেখা যায়, এক চা-শ্রমিকের কন্যাসন্তানের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায় পানি সংকটের কারণে। বাড়িতে একটি টিউবওয়েল বসানোর প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা নিশিকে বিয়ে করতে চায় কাঠ ব্যবসায়ী লালচাঁন। এভাবেই এগোতে থাকে গল্প।
সিনেমাটির চূড়ান্ত সম্পাদনা, কালার ও সাউন্ডের কাজ হয়েছে পোল্যান্ডের বিখ্যাত লজ ফিল্ম স্কুলে। চিত্রগ্রহণে ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থী নাতালিয়া পুসনিক। সিলেটের একটি চা-বাগান ও আশপাশে ছবিটির শুটিং হয়েছে।
এর আগে প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫তম এমা অ্যাওয়ার্ড জিতেছিল ছবিটি। গ্রিন মন্টেনিগ্রো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১২তম আসরেও পুরস্কার জেতে ‘নিশি’।
আরও পড়ুন
ওটিটিতে রাজ-তুষির ‘আইসক্রিম’
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বড় পর্দায় অভিষেকের এক দশক পর আবারও আলোচনায় শরিফুল রাজ ও নাজিফা তুষির ‘আইসক্রিম’। রেদওয়ান রনি পরিচালিত সিনেমাটি ২০ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে দেশীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে। ২০১৬ সালের ২৯ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। দীর্ঘ বিরতির পর দর্শকরা ঘরে বসেই এবার দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দুই অভিনয়শিল্পীর শুরুর দিকের এই কাজ।
‘আইসক্রিম’ ছিল শরিফুল রাজের অভিনয়জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ সিনেমার মধ্য দিয়েই বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেন তিনি। এতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি ও উদয়। আরও ছিলেন ওমর সানী, দিতি, এ টি এম শামসুজ্জামান প্রমুখ। ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমাটির কাহিনি, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনায় ছিলেন রেদওয়ান রনি।
সিনেমাটি নিয়ে সম্প্রতি স্মৃতিচারণা করেছেন শরিফুল রাজ। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, ১০ বছর আগের রাজের সঙ্গে এখনকার রাজের পার্থক্য রয়েছে। আজকের অভিনেতা হয়ে ওঠার পেছনে ‘আইসক্রিম’-এর অবদানও রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
‘আইসক্রিম’-এর পর একের পর এক সিনেমায় নিজের অভিনয়ের পরিসর বাড়িয়েছেন রাজ। তানিম রহমান অংশু পরিচালিত ‘ন ডরাই’, মেজবাউর রহমান সুমনর ‘হাওয়া’, রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ ও ‘দামাল’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের নজর কেড়েছেন তিনি। বিশেষ করে ‘হাওয়া’ ও ‘পরাণ’ তাকে দিয়েছে বিশেষ পরিচিতি।
অন্যদিকে একই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেন নাজিফা তুষি। পরে নিজের অভিনয় মুন্সিয়ানা দেখিয়ে সিনেমায় শক্ত করেন নিজের অবস্থান। ‘ন ডরাই’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি বিশেষভাবে আলোচনায় আসেন। এ সিনেমায় সার্ফিংকে কেন্দ্র করে নির্মিত গল্পে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়। পরে ‘হাওয়া’ সিনেমা দিয়ে অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান তিনি। এ ছাড়া শিহাব শাহীন পরিচালিত ‘সিন্ডিকেট’ এবং সম্প্রতি মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত রহস্যধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র ‘রইদ’–এর মতো কাজের মধ্য দিয়ে অভিনয়ের ভিন্ন ভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী।
তাই তাদের দুজনের ক্যারিয়ারের শুরুর সিনেমা নিয়ে দর্শকের বেশ আগ্রহ রয়েছে। সেই বিবেচনায় চরকিও সিনেমাটির মুক্তি সামনে রেখে প্রচার চালাচ্ছে পুরোদমে। সামাজিক মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটি লিখেছে, ‘বেশি ঠান্ডায় জমে যায়, আর বেশি তাপে গলে যায়! তাই প্রেম আর আইসক্রিম দুটিরই দরকার রাইট টেম্পারেচার।’
আরও পড়ুন
ভিন্নধর্মী নাটকে ঊর্মি আহমেদ
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সমাজের স্পর্শকাতর ও বাস্তবধর্মী একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘গৃহবন্দী’। শরীফ থেকে শরীফা হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে নির্মিত এই নাটকে ‘রুবি’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী ঊর্মি আহমেদ। নাটকটি মুক্তি পেয়েছে স্বপ্ন কানন মাল্টিমিডিয়ার অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।
নাটকটির গল্পে উঠে এসেছে জন্মগত পরিচয় ও লিঙ্গপরিচয়ের প্রশ্নে একজন মানুষের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা এবং সেই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পরিবারের সদস্যদের সামাজিক ও মানসিক টানাপোড়েন। পরিবারের একজন সদস্যের এমন সিদ্ধান্তকে সমাজ কীভাবে গ্রহণ করে, কিংবা প্রত্যাখ্যানের কারণে একটি পরিবার কী ধরনের সংকটের মুখোমুখি হয়, সেসব বাস্তব চিত্রই তুলে ধরা হয়েছে ‘গৃহবন্দী’তে।
নাটকটিতে নিজের চরিত্র ও অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ঊর্মি আহমেদ বলেন, ‘নাটকটির বিষয়বস্তু এক কথায় প্রকাশ করা যাবে না। আমি রুবি চরিত্রটিকে ধারণ করার চেষ্টা করেছি। নাটকটির জন্য আমরা পুরো টিম দুই দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। পরিচালকও আমাদের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন।’
রুবি চরিত্রের বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলতে পরিচালকের বিশেষ নির্দেশনার কথাও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি যখন মেকআপ নিচ্ছিলাম, তখন পরিচালক মেকআপ রুমে এসে বলেন, রুবি চরিত্রে কোনো মেকআপ চাই না। এটি একটি ‘র’ ক্যারেক্টার, একদম মেকআপ ছাড়া দেখতে চাই। আমি শুধু একটি জায়গায় হালকা লিপস্টিক ও টিপ পরেছিলাম, সেটি ছিল প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার দৃশ্যে।’
নিজের অভিনয়জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে ঊর্মি আহমেদ বলেন, ‘আমি মিডিয়ায় এসে কখনো নায়িকা হতে চাইনি। সব সময় একজন ভালো অভিনেত্রী হতে চেয়েছি।’
দর্শকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলা নাটক বেশি বেশি দেখুন। আপনাদের উৎসাহে আরও ভালো ভালো নাটক নির্মিত হবে।
নাটকটির কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মাহফুজ ইসলাম। প্রযোজনা করেছেন ইসমাইল হোসেন। এটি স্বপ্ন কানন মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশনের একটি নির্মাণ। নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন জয় আকাশ।
‘গৃহবন্দী’ নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন কেএস রবিন, মাহবুব আল রশিদ খান, কাকা মাসুদ, আকলিমা লিজা, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মারিয়া খান, আঁখি আক্তার, মোঘলে আজম, মোহন সরকার, মো. সতেজ চৌধুরীসহ অনেকে।
