Published on
:
2 min read
কলকাতা তাঁর ‘দ্বিতীয় বাড়ি’। বলা যায় তাঁর ভালোবাসার শহর। অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। এই মুহূর্তে তাঁর প্রিয় শহরে রয়েছেন অভিনেতা। স্ত্রী মৃদুলা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এ বছর কলকাতাতেই নবরাত্রি উদযাপন করছেন তিনি। দীর্ঘ বছর পরে ঐতিহাসিক এই শহরে উৎসবের আমেজে শামিল হয়েছেন অভিনেতা। কলকাতার প্রতি পঙ্কজের বরাবরই গভীর টান। এই শহরের সংস্কৃতি আর দুর্গাপুজোর বাইরেও তাঁর সঙ্গে কলকাতার এক বিশেষ বন্ধন গড়ে উঠেছে। পঙ্কজের স্ত্রী মৃদুলা ত্রিপাঠীর বাড়ি কলকাতায়। যে কারণে এই শহরটিও তাঁর পরিবার।
গত কয়েক বছর ধরে পঙ্কজ নিয়মিত তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কলকাতায় আসেন। কখনও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে সময় কাটাতে, কখনও আবার শহরের সংস্কৃতির টানে। বার বার কলকাতায় আসা এবং এই শহরের প্রতি তাঁর অটুট ভালোবাসার কারণে তিনি এখন অনেকের কাছেই ‘কলকাতার জামাই’ হিসেবে পরিচিত। তাই এ বার উৎসবকে আরও স্মরণীয় করে রাখতে পঙ্কজ নবরাত্রি ও দশেরার আনন্দ উদযাপনের জন্য কলকাতাকেই বেছে নিয়েছেন।
পঙ্কজের কাছে উৎসব মানে কেবল আচার-অনুষ্ঠান বা উদযাপন নয়। পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা, আপন মানুষদের অনুভব করা এবং সেই সাংস্কৃতিক বন্ধনগুলো তাঁর জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তোলা। দুর্গাপুজোর জাঁকজমক, মা দুর্গার প্রতি ভক্তি এবং প্রতি বছর কলকাতাজুড়ে যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে, তা তাঁর হৃদয়ে এক বিশেষ জায়গা জুড়ে আছে। এই শহরে যেমন উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পেরেছেন, তেমনই পরিবারের সঙ্গে তৈরি হয়েছে নতুন কিছু স্মৃতিও।
কলকাতার প্রতি নিজের ভালোবাসা এবং এই শহরে উৎসব উদযাপনের তাৎপর্য নিয়ে পঙ্কজ ত্রিপাঠী বলেন, ‘আমার হৃদয়ে কলকাতার জন্য সবসময়ই বিশেষ জায়গা ছিল ও থাকবে। এই শহরের সঙ্গে আমার সম্পর্কের সূত্রপাত মৃদুলা ও তাঁর পরিবারের মাধ্যমে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা আমার কাছে কেবল শ্বশুরবাড়ির শহর নয়, তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু হয়ে উঠেছে। এটি এমন এক জায়গা, যেখানে আমি অনেক সুন্দর স্মৃতি গড়ে তুলেছি এবং যেখানে ফিরে আসার জন্য আমি সবসময় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি। মানুষ আমাকে ভালোবেসে ‘কলকাতার জামাই’ বলে ডাকে—এই শহর থেকে এত ভালোবাসা পেয়ে আমি নিজেকে সত্যিই ভাগ্যবান মনে করি। কলকাতার মধ্যে এক অদ্ভুত জাদু আছে, বিশেষ করে দুর্গাপূজার সময়। এখানকার ভক্তি, প্রাণশক্তি, সুন্দর সব প্যান্ডেল, ঐতিহ্য এবং মা দুর্গাকে কেন্দ্র করে মানুষের একত্রিত হওয়ার ধরন—সবই অসাধারণ। এই সময়ে শহরের আত্মাকে অনুভব করা যায়। আমি বরাবরই বাংলার সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের অনুরাগী।’
