নাটোরে যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ও তার ৯ বছর বয়সী মেয়ে তাছফিয়ার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া তার স্ত্রী রুবিনা বেগম ও ছোট ছেলে লাবিব গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মোট ১৪ জন নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শহিদুল ইসলামের বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায়। তিনি মাগুরা জেলায় ব্র্যাক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার স্ত্রী রুবিনা বেগম মির্জাগঞ্জের সুবিদখালী পূবালী ব্যাংক শাখায় কর্মরত।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পূজার ছুটিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজশাহীতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন শহিদুল ইসলাম। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে রুবিনা বেগম দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে মির্জাগঞ্জ থেকে মাগুরায় স্বামীর কর্মস্থলে যান। পরে মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সবাই বাসে করে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন। পথে নাটোর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে তাদের বহনকারী বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুল ইসলাম ও তার মেয়ের মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ভাই মো. ফারুক হোসেন জানান, পরিবারের সবাই মিলে পূজার ছুটিতে আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় তার ভাই ও ভাতিজির মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ভাইয়ের স্ত্রী ও ছোট সন্তান গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
