তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কাকে ৮২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে স্বাগতিক পাকিস্তান।
আজ রোববার (১১ অক্টোবর) রাওয়ালপিন্ডিতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২১৫ রানের বড় পুঁজি দাঁড় করায় পাকিস্তান। জবাব দিতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রানেই গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা।
ঘরের মাঠ রাওয়ালপিন্ডিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে থাকে দুই পাকিস্তানি ওপেনার। ৫৫ রানের উদ্বোধনী জুটিতে তারা দলকে শক্ত ভিত এনে। ১৭ বলে ২২ রানের ইনিংস খেলে ফখর জামান সাজঘরে ফিরলেও শ্রীলঙ্কান বোলারদের ওপর চাপ ধরে রাখেন সাহিবজাদা ফারহান।
দ্বিতীয় উইকেটে ৮৮ রানের বড় জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেন তিনি। ফিফটি ছোঁয়ার পর ফারহান থামেন চমৎকার ৭৩ রানের ইনিংস খেলে।
তবে সাহিবজাদা ফারহান যেখান থেকে শেষ করেন মাজ সাদাকাত যেন সেখান থেকেই শুরু করেন। মাত্র ৫১ বলে ৬ চার আর ৭ ছক্কায় ৯৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দেন এই তরুণ। মাত্র চার রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে ইনিংসের শেষ বলে কাটা পড়েন তিনি। অন্যপ্রান্তে ৯ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন হাসান নেওয়াজ।
২১৬ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কা। পাওয়ার প্লেতেই ২ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় সফরকারীরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের পাশাপাশি রানের গতিও একপ্রকার থেমে যায়। ফলে ম্যাচ থেকে দ্রুতই ছিটকে পড়ে লঙ্কানরা, শেষ পর্যন্ত আর সেই ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি তারা।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন স্পিনার মাহেশ থিকসানা। এছাড়া চামিন্দু বিক্রসিনহা ২৯, কামিন্দু মেন্ডিস ২৩ এবং সিনেথ জয়াবর্ধনে ২২ রান করলেও বাকিদের কেউই দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পারেননি।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ ইমরান। আর ২ উইকেট ঝুলিতে পুরেন পেসার সালমান মির্জা।
