পঞ্চমীর সকালে বীরভূমের নানুরে গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু! দেহে একাধিক ক্ষত চিহ্ন। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তুলেছে যুবতীর পরিবার। আরও অভিযোগ, স্ত্রীকে খুনের পর দেহ বাড়িতেই ফেলে রেখেছিলেন তাঁর স্বামী। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার নাটক করা হয়। স্বামী-সহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবতীর নাম চুমকি দাস। বয়স ৩৬ বছর। তিনি বীরভূমের (Birbhum) নানুর থানার পুন্দরা গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা বাধে। তা গড়ায় হাতাহাতিতে। তারা চেঁচামেচি শুনেছিলেন। তবে পরে তা মিটেও যায়। মৃতার শ্বশুরবাড়ির দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের এক সদস্য তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় চুমকির মৃত্যু হয়। খবর দেওয়া তাঁর বাপের বাড়িতে। মৃতার বাপের বাড়ির সদস্যরা জানাচ্ছেন, তাঁরা এসে দেখেন চুমকির দেহ ঘরের মধ্যেই পড়ে রয়েছে। দেহে রয়েছে একাধিক ক্ষত চিহ্ন। তাঁদের অভিযোগ, চুমকি পিটিয়ে খুন করা হয়েছে।
এই ঘটনায় চুমকির পরিবার তাঁর শাশুড়ি, স্বামী ও তাঁর এক ভাইয়ের বিরুদ্ধে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নানুর থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই দেহের ময়নাতদন্ত হবে। মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ৩জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কী করে মহিলার মৃত্যু তা নিয়ে ধোঁয়াশা। তাঁকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে নাকি অন্য কিছু কারণ। খুন করা হলে কেন? সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
