রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৩৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় মাদকপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে শামীম রেজা (২৬) নামের এক ট্রাকচালককে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জনি আলী (২৮) নামের অপর এক সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গোপালপাড়া গ্রামের আকরাম স্বর্ণকারের বাড়িসংলগ্ন পুরোনো পানহাটার সামনে পাকা সড়কে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া সেলের মুখপাত্র সাবিনা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদের নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানে নিয়োজিত ছিলেন ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মেহেদী হাসান ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুর্গাপুরের হাটকানপাড়া বাজার এলাকা থেকে তথ্য পেয়ে তাঁরা গোপালপাড়া গ্রামে অবস্থান নেন।
অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন ট্রাকটি ঘিরে ফেললে ভেতরে থাকা দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া করে চালক শামীম রেজাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার শামীম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বালিয়াদিঘি গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের সন্তান। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে ট্রাকের চালকের আসনের নিচ থেকে একটি ব্যাগের ভেতরে থাকা ৩৮টি পলিথিনের প্যাকেটে মোড়ানো মোট ৭ হাজার ৩৭৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ‘ঢাকা মেট্রো-ট-২২-৬৫৫৫’ নম্বরের ট্রাকটিও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পালিয়ে যাওয়া অপর অভিযুক্তের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তিনি হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দানিয়ালপুর গ্রামের তোহরুল ইসলামের ছেলে জনি আলী। তাঁকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুর্গাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জেএইচআর
