ইয়েমেনে সরকারি অভিযানে ৯৫০ হুথি যোদ্ধা নিহত
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার পরিচালিত ডন অব ইয়েমেন বা ফজর আল-ইয়েমেন সামরিক অভিযানের আওতায় চলমান হামলায় ৯৫০ জন হুথি যোদ্ধা নিহত এবং ৩৮০টি সামরিক যান ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনীয় সরকারি বাহিনী।
সরকারি বাহিনীর সামরিক মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আল-নুজাইলি জানান, বিভিন্ন ফ্রন্টে মোট ১ হাজার ৮৭৯টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামানের গোলা এবং রকেট লঞ্চারের সাহায্যে চালানো এই হামলায় হুথিদের একাধিক অস্ত্রাগার, সামরিক ঘাঁটি এবং কমান্ড সেন্টার লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
গত ৫ অক্টোবর ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি এই অভিযানের সূচনা করেন। হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকা পুনরুদ্ধার এবং রাজধানী সানা মুক্ত করার লক্ষ্যে ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূল ও কৌশলগত বাব আল-মানদেবে এ সামরিক অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তবে সরকারি বাহিনীর এসব দাবির বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। সূত্র: গালফ নিউজ
আরও পড়ুন
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
কিম জং উনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প!
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২২ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। ছবি: সংগৃহীত
-->এশিয়া সফরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউস থেকে ওহাইও যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, 'হতেও পারে, হ্যাঁ। বিষয়টি বেশ রোমাঞ্চকর হবে, তাই না? তাছাড়া তার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে।'
তার এই সম্ভাব্য সাক্ষাৎ ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে সরাসরি কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়াতে ট্রাম্পের প্রচেষ্টায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। এর আগে নিজের প্রথম মেয়াদে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য কিম জং উনের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন ট্রাম্প।
আরও পড়ুন
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ট্রাম্প আগামী ১৬ নভেম্বর ফিলিপাইনে আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিবেন। এরপর ১৭ থেকে ১৯ নভেম্বর চীনের শেনজেনে এপিইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি
আজহার/
আরও পড়ুন
টানা তৃতীয় দিন সৌদি আরবে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত বিমানবন্দর লক্ষ্য করে টানা তৃতীয় দিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে রিয়াদে পরপর কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর আগে গত দুই দিনে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি হামলায় ১৪ জন নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছিল।
সৌদি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি জানিয়েছেন, ইয়েমেন থেকে ছোড়া আসা ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে প্রতিহত ও ভূপাতিত করেছে তাদের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে রিয়াদের ঠিক কোন স্থানটি লক্ষ্যবস্তু ছিল, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।
আরও পড়ুন
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারেই দাবি করেছেন, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ছাড়াও ইয়েমেন সীমান্তবর্তী খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
টানা এই হামলার ফলে সৌদি কর্তৃপক্ষ রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম আগামী শনিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এবং বেশ কয়েকটি বিমানসংস্থাও তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে।
এর আগে শনিবারের হামলায় ১৩ জন ও সোমবারের হামলায় একজন নিহত ও তিন শতাধিক মানুষ আহত হন, যা গত এক দশকেরও বেশি সময়ে সৌদির মাটিতে ঘটা সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা।
এদিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্ভাব্য ব্যর্থতার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক এই নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং হামলাগুলোর ফলে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিনিয়োগ সম্মেলনেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুথিদের এই ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনের তীব্র সমালোচনা করলেও সরাসরি কোনো সামরিক হস্তক্ষেপে যাওয়ার ইঙ্গিত দেননি। সূত্র: আল-জাজিরা
আজহার/
আরও পড়ুন
হরমুজ প্রণালীতে ‘সুপারট্যাঙ্কারে’ হামলা চালিয়েছে ইরান
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালীতে একটি ‘সুপারট্যাঙ্কার’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ‘অনুমোদনহীন রুট’ ব্যবহার করে যাওয়ার চেষ্টাকালে তারা এই মালবাহী জাহাজে হামলা চালায়।
আইআরজিসি’র নৌবাহিনী তাদের সেপাহ নিউজ প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'হরমুজ প্রণালীতে একটি সুপারট্যাঙ্কারে আঘাত হানা হয়েছে এবং সেটিতে আগুন ধরে যায়।'
আরও পড়ুন
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাহাজটি ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে' এবং গার্ডস নৌবাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ওই এলাকা অতিক্রম করার চেষ্টা করেছিল।
আইআরজিসি’র নৌবাহিনীর কমান্ডার আলী ওজমাই গত সপ্তাহান্তে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, প্রণালী অতিক্রম করার সময় সনাক্তকরণ এড়াতে যেসব জলযান ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখবে, সেগুলোকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং কঠোর জবাবের মুখে পড়তে হবে।
এদিকে, ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও সোমবার জানিয়েছে, আগের দিন হরমুজ প্রণালীতে আলাদা চারটি ঘটনায় বিভিন্ন জলযানে আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। সূত্র: আল-জাজিরা
আজহার/
আরও পড়ুন
নিরাপত্তাহীনতায় বাঙ্কারে আছেন সৌদি যুবরাজ
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: সংগৃহীত
-->কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত ও বাঙ্কার-সুবিধাসম্পন্ন একাধিক প্রাসাদে অবস্থান করছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। পাশাপাশি তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে একটি বিশেষ সুরক্ষা দল।
ওয়াইনেট নিউজ এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নিউজ জানিয়েছে, সৌদি রাজধানী রিয়াদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও তা প্রতিহত করার পর ধ্বংসাবশেষ পড়ে বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, হুতিদের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে রিয়াদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং তা দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের বিমানবন্দর, তেল শোধনাগার এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন অবকাঠামো হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব স্থাপনায় হামলা দেশটির তেল রপ্তানি ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্রমাগত হামলার মুখে সৌদি রাজধানী যখন ঝুঁকির মুখে পড়েছে, তখন ৪১ বছর বয়সি যুবরাজ তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত জোরদার করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাকে সবশেষ জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল গত মঙ্গলবার; সেদিন একটি জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি রক্তদান করেন।
ক্রমবর্ধমান হামলার ফলে রিয়াদের কিছু এলাকা সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। শহরের আর্থিক এলাকার কর্মী, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্কুলের শিক্ষার্থী এবং কূটনীতিকদের ভবন থেকে সরে যেতে অথবা নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা সংকট দীর্ঘায়িত হলে সৌদি আরবের জ্বালানি খাত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় আরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: Ynet Global
রিফাত/
