দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে প্রতিবাদে শামিল হয়েছে বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বার বার আঙুল উঠেছে নরেন্দ্র মোদী সরকারের দিকে। এই পরিস্থিতিতে একটি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখে শোনা গেল ‘বিভেদকামী শক্তি’র কথা। তার বিরুদ্ধে অখণ্ডতা’ বজায় রাখার বার্তা দিলেন তিনি।
দিল্লিতে শুক্রবার শুরু হয়েছে ‘চিন্ময় অমৃত মহোৎসব গ্লোবাল সম্মেলন’। চলবে তিন দিন ধরে। দেশ-বিদেশ থেকে প্রায় ৯০০০ জন সেখানে যোগ দিতে এসেছেন। সেখানে গিয়ে মোদী জানান, চিন্ময় মিশন প্রতিষ্ঠান নয়, একটা ভাবনা। তার পরেই তিনি বিভেদকামী শক্তি নিয়ে বার্তা দেন। তাঁর কথায়, ‘‘যে শক্তি আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চাইছে, তার বিরুদ্ধে গোটা সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।’’ তার পরেই তিনি বলেন, ‘‘২০১৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার সংকল্পে প্রতিটি মানুষকে যুক্ত করতে হবে। সেই জন্য আমাদের আরও সক্রিয় হতে হবে।’’
১৯৫১ সালে তৈরি হয়েছিল চিন্ময় মিশন। তাদের লক্ষ্য ছিল ভগবত গীতা এবং বেদান্তকে সহজ ভাবে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া। স্বামী চিন্ময়ানন্দ সেই কর্মসূচির সূচনা করেছেন। শুক্রবার দিল্লিতে সেই বিষয় তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ওই সংগঠনের সদস্যদের অভিনন্দনও জানান। প্রধানমন্ত্রীর মতে, চিন্ময়ানন্দ আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি জাতীয় বিষয়, যেগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সেগুলি নিয়ে কথা বলেছেন।
