এল ক্লাসিকো যতো এগিয়ে আসছে, বার্সেলোনার দুশ্চিন্তাও ততো বাড়ছে। রক্ষণের তিন গুরুত্বপূর্ণ মুখ জুলস কুন্দে, এরিক গার্সিয়া এবং আন্দ্রেয়াস ক্রিস্তেনসেন চোটে ভুগছেন। চোটের তালিকায় আছেন রুনি বার্দঘজিও। এবার তাদের সঙ্গে যোগ হলেন দানি ওলমো। প্যারিসে পিএসজির কাছে হারের ধাক্কা সামলানোর আগেই আক্রমণভাগের এই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে প্রায় এক মাসের জন্য হারাল কাতালান ক্লাবটি।
মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজির কাছে ৪-২ গোলে হারের ম্যাচে আধঘণ্টা না পেরোতেই মাঠ ছাড়তে হয় ওলমোকে। বাঁ পায়ের অ্যাডাক্টর পেশি ছিঁড়ে যাওয়ায় প্রায় চার সপ্তাহ বাইরে থাকতে হবে তাকে। ফলে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে আসন্ন এল ক্লাসিকোয় তাকে পাচ্ছে না বার্সেলোনা।
পিএসজির মিডফিল্ডার ভিতিনিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষের পর বাঁ ঊরুতে অস্বস্তি অনুভব করেন ওলমো। টেলিভিশনের ছবিতে তার মুখের অভিব্যক্তিতেই বোঝা যাচ্ছিল, চোটটি নিয়ে উদ্বিগ্ন তিনি। প্রাথমিক পরীক্ষায় বাঁ অ্যাডাক্টর পেশিতে সমস্যার আশঙ্কা করা হয়।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো জানায়, বুধবার সকালে আরও পরীক্ষা করাতে যাওয়ার সময়ও বেশ খুঁড়িয়ে হাঁটছিলেন ওলমো। তখনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, কয়েক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে চলে যেতে পারেন তিনি। পরে স্ক্যান পরীক্ষায় পেশি ছিঁড়ে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
সেরে উঠতে প্রায় চার সপ্তাহ লাগতে পারে বলে ধারণা করা হলেও ফেরার দিনক্ষণ নিয়ে তাড়াহুড়া করতে চায় না বার্সেলোনা। তার সুস্থ হয়ে ওঠার অগ্রগতি দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার আগে তাকে মাঠে ফিরিয়ে ঝুঁকি নিতে চায় না ক্লাবটি।
গত ৩ ডিসেম্বর অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে গোল করার পর কাঁধের হাড় সরে গিয়েছিল ওলমোর। এরপর থেকে আর চোটে পড়েননি। তার সর্বশেষ পেশির চোট ছিল ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর। গত মৌসুমের ৩২ ও চলতি মৌসুমের ১২ মিলিয়ে টানা ৪৪ ম্যাচে খেলেছেন তিনি।
ওলমোর চোট এমন সময়ে এল, যখন রক্ষণ সামলাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে বার্সাকে। ডান ঊরুর চোটে এরিক গার্সিয়ার তিন থেকে চার সপ্তাহ বাইরে থাকার কথা। কুন্দের বাঁ গোড়ালি মচকে গেছে। তবে ফরাসি ডিফেন্ডারকে এল ক্লাসিকো থেকে এখনই ছিটকে দেওয়া হয়নি; চোটের উন্নতির ওপর নির্ভর করছে তার খেলা।
আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা।
