শহরের একটি নার্সিংহোমের এক চিকিৎসকের সাক্ষাতের সময় নিতে গিয়েছিলেন এক রোগীর আত্মীয়। সময় পেয়েছিলেন চারদিন পর। আবার এক নামী চিকিৎসককে পরামর্শ নিতে নাম লেখাতে হয় অন্ততপক্ষে চব্বিশ ঘণ্টা আগে। পুজোর মরসুমে বিউটিশিয়ানরাও যেন পাল্লা দিচ্ছেন সেই চিকিৎসকদের সঙ্গে। কোচবিহারের মতো পরিস্থিতি ততটা ঘোরালো না হয়ে উঠলেও এক একটি পার্লারে বা স্যাঁলোতে আগাম নাম নথি ভুক্ত করতে হচ্ছে। কোথাও চার-পাঁচ ঘণ্টা বাদে, কোথাও আবার চব্বিশ ঘণ্টা বাদে মিলছে সময়। বিশেষ করে নামী পার্লারগুলিতে ভিড় বাড়ছে বেশি। কোথাও কোথাও আবার কাজ চলছে মধ্যরাত পর্য়ন্ত।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
Best Value
এক বছরে
5,148
1,999
এক মাসে
429
169
মেয়াদ শেষে নতুন দামে আপনাকে নতুন করে গ্রাহক হতে হবে
Subscribed already? Log in
সাবস্ক্রাইবার হলে আপনি পাচ্ছেন
প্রতি সকালে আনন্দবাজার পত্রিকার নতুন ই-পেপার
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
Monday - Saturday: 10 am to 6 pm (except public holidays).
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
