- প্রকাশ : শনিবার ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৪৭ পিএম
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল খান রেজার বিরুদ্ধে অনলাইনে ইস্যুকৃত একটি মৃত্যু সনদের তারিখ জালিয়াতি বা পরিবর্তনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র থেকে জানা যায়, বাঙালিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মৃত মনির উদ্দিনের অনলাইন মৃত্যু সনদে তাঁর মৃত্যুর তারিখ হিসেবে ২৪ নভেম্বর ২০১৮ উল্লেখ ছিল। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল খান রেজা ওই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনিসুর রহমান ও স্বপন চন্দ্রের যোগসাজশে মনির উদ্দিনের ওয়ারিশদের অজান্তেই সনদের তারিখ পরিবর্তন করেন এবং একটি সাজানো তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরবর্তীতে মনির উদ্দিনের উত্তরাধিকারীরা মৃত্যু সনদ জালিয়াতির এই বিষয়টি জানতে পেরে বিস্ময় প্রকাশ করেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, মৃত মনির উদ্দিন জীবদ্দশায় 'বাচ্চু মিয়া' নামের এক ব্যক্তিকে খতিয়ান নং ২১৮৫ এবং দাগ নং ২৪০৬-এর অধীনে আধা শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। কিন্তু তিনি ২৪ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মৃত্যুবরণ করা সত্ত্বেও ২০১৯ সালের ১১ জুলাই সৈয়দপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ৩৩১০ নম্বর সনদের একটি ভ্রম সংশোধন দলিল তৈরি করা হয়। সেখানে মৃত মনির উদ্দিনকে জীবিত 'দাতা' দেখিয়ে সৈয়দপুরের বিশিষ্ট শিল্পপতি আমিনুল ইসলামের একটি জমির দাগ নম্বর অন্তর্ভুক্ত করে একটি ভূয়া দলিল তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
এই ভুয়া দলিল তৈরির ঘটনায় শিল্পপতি আমিনুল ইসলাম অভিযুক্ত রেজা খান ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে জমি ও দলিল জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
মামলার বাদী শিল্পপতি আমিনুল ইসলাম জানান, আদালতে মামলা দায়ের করার পর আসামিরা জালিয়াতির হাত থেকে রেহাই পেতেই অসৎ উদ্দেশ্যে মনির উদ্দিনের অনলাইনের প্রকৃত মৃত্যু সনদের তারিখ পরিবর্তন করেছেন।
জানতে চাইলে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল খান রেজা বিষয়টি সুকৌশলে এড়িয়ে য়ান। এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
-
সর্বশেষ সংবাদ
জনপ্রিয়

আগুনে পুড়ে গেছে টুপটুপ রিসোর্ট
- প্রকাশ : শনিবার ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৫২ পিএম
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আকতার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আগুনে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৬ জন। হতাহতদের উদ্ধারে কাজ চলছে।
এদিকে আগুনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে এক নারীকে কান্নার সুরে বলতে শোনা যায় ‘আমার সাইফকে আইন্না দাও।’
জানা গেছে, ওই নারী পর্যটক পূজার বন্ধে তার পরিবার নিয়ে কক্সবাজার ঘুরতে এসেছেন। তিনি এক সাংবাদিকের বোন বলে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সাইফকে বারবার ডাকছেন এবং বলছেন, ‘আমার সাইফকে আইন্না দাও।’ তবে সাইফ সম্পর্কে তার কে, বেঁচে আছেন কিনা তা জানা যায়নি।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে সাতটি লাশ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, ওই রিসোর্টে মোট ১৭ পর্যটক ছিলেন। নিহত ব্যক্তিরা পর্যটক বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, ‘অনেকে নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কতজন পর্যটক মারা গেছেন, তা জানতে একটু সময় লাগবে।’
এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সকাল ৮টা থেকে তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর রিসোর্টটিতে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। অগ্নিকাণ্ডে রিসোর্টটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ কাজ করেছে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের লোকজন পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। আগুনের সূত্রপাত, ক্ষতির পরিমাণ এবং রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখা
- প্রকাশ : শনিবার ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৩৯ পিএম
(১৭-১০-২৬) চুয়াডাঙ্গায় স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি-এর উদ্যোগে প্রকাশ্যে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ এবং আদায় মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি, চুয়াডাঙ্গা শাখা কার্যালয়ে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখার ব্যবস্থাপক মো: কামরুজ্জামান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মেলা প্রসঙ্গে ব্যাংক ব্যবস্থাপক কামরুজ্জামান বলেন, "দেশকে খাদ্যে স্বনির্ভর করে তুলতে এবং কৃষি উদ্যোক্তাদের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও বেগবান করতে এই মেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"
অনুষ্ঠানে আগত কৃষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং সহজ শর্তে প্রয়োজন মত লোন প্রাপ্তির বিষয়ে কৃষকদের যে সকল যৌক্তিক দাবি সেগুলো শোনেন এবং ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথীর বক্তব্য রাখেন মাম এগ্রো-এর পরিচালক প্রভাষক ইব্রাহিম কুদ্দুস।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখার সেকন্ড অফিসার অর্জুন কুমার হালদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক আলমডাঙ্গা শাখার সিনিয়র অফিসার বিনয় কুমার বিশ্বাস, ব্যাংকের গ্রাহক, কৃষি উদ্যোক্তাগণ।
আলোচনা ও প্রশ্ন উত্তর পর্ব শেষে মেলায় এলাকার কৃষক ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রকাশ্যে কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয় এবং সেই সাথে পুরনো ঋণের টাকা আদায় করা হয়। বক্তারা দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে সহজ শর্তে এই ঋণ বিতরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মেলায় ব্যাংকের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক ঋণগ্রহীতা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিল
- প্রকাশ : শনিবার ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:০৫ পিএম
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)। এ উপলক্ষে তাঁর জন্মস্থান নোয়াখালীতে দোয়া মাহফিল, পবিত্র কোরআন খতম, কবর জিয়ারত, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কাঙালি ভোজসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন হচ্ছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ নোয়াখালী জেলা আ.লীগের সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকালে নোয়াখালী জেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত আব্দুল মালেক উকিলের কবরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হবে। পরে তাঁর পরিবারের উদ্যোগে বাদ জোহর জেলা মডেল মসজিদে পবিত্র কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নোয়াখালী সদর উপজেলার বাঁধেরহাট আব্দুল মালেক উকিল ডিগ্রি/অনার্স কলেজ, নোয়াখালী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করবে।
আব্দুল মালেক উকিল ১৯২৪ সালের ১ অক্টোবর নোয়াখালীর তৎকালীন সুধারাম থানার রাজাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতা, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিল ১৯৮৭ সালের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন এবং দেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হবে। একই সঙ্গে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হবে।

সেনবাগ থানা, নোয়াখালী
- প্রকাশ : শনিবার ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪২ এএম
নোয়াখালীর সেনবাগে আফরিয়া সুলতানা প্রীয়া (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এর আগে শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শায়েস্তানগর গ্রামের হাজী এমরাত আলী মিয়া বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত প্রীয়া ওই বাড়ির মো. আবুল কাশেম ড্রাইভারের মেয়ে। সে স্থানীয় শিবপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে প্রীয়ার মা বিলকিস আক্তার ছোট ছেলেকে নিয়ে স্থানীয় ছমির মুন্সির হাট বাজারে যান। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে তিনি বসতঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে মই দিয়ে ঘরের ভেতরে উঁকি দেন। এ সময় মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন। পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের ওপর অভিমান করে প্রীয়া আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ছবি : সংগৃহীত
- প্রকাশ : শনিবার ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৪ এএম
কক্সবাজারের ইনানীতে একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছয় পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রিসোর্টটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং পর্যটকসহ আরও বেশ কয়েকজন হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে ছয়টি মরদেহ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত ব্যক্তিরা সবাই পর্যটক বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। তবে মরদেহের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার পর সকাল ৮টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে এবং সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।
এ দিকে এ ঘটনার পর রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সবাই পালিয়েছেন।

মোহাম্মদ আলম
- প্রকাশ : শুক্রবার ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:০৯ পিএম
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলম (৩৫) নামের এক রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১-এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-৩ (এসআরবি-১১, সিপিসি-৩)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি জানিয়েছেন, কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা নিয়ে তিনি নোয়াখালীর হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা জামে মসজিদের পূর্ব পাশে শফিউল্লাহর চা-পান-সিগারেটের দোকানের সামনে সড়কে এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলম কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মো. আলী হোসেনের ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি ও এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সন্দেহভাজন মোহাম্মদ আলমকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে চার হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তার কাছ থেকে একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। আসামির ভাষ্য অনুযায়ী, শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে হাতিয়ায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি রওনা হয়েছিলেন। তবে ইয়াবাগুলো কার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং হাতিয়ায় কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট সারণির ১০(খ) ও ২৬ (১) ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
