অসুস্থতার পাশাপাশি এই প্রবীণ শিল্পীকে আঁকড়ে ধরেছে একাকিত্ব ও অর্থনৈতিক সংকট। দীর্ঘ সময় ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রি থেকে দূরে থাকায় তার হাতে কোনো কাজ নেই। কিছুদিন আগে আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন কাজ না থাকায় জমানো সঞ্চয় ফুরিয়ে আসছে, যার ফলে দৈনন্দিন জীবন ও চিকিৎসার খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ঐতিহাসিক ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেনÑ খালেদা আক্তার কল্পনা। চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে তিনি নিজেকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে, এক সময় তাকে ছাড়া সিনেমার পারিবারিক ও আবেগঘন চরিত্রগুলো ভাবাই যেত না। রুপালি পর্দার এই মমতাময়ী মা যেন আবারও সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন, এটাই এখন চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবার প্রার্থনা।