স্ত্রী মৌসুমী ও ছেলে ফারদিনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিনেতা ওমর সানী। পরিবার সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য প্রচার বন্ধ না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেতা।
এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে ওমর সানী বলেন, ‘আমার বউ আমার টেনশন না, আপনাদের টেনশন। আমার ছেলে কিছুক্ষণ আগেও এ বিষয়ে কথা বলেছে। সে আইনের আশ্রয় নিতে বলেছে। আমাদের নিয়ে লেখালেখি না করলেই নয়?’
পরিবার নিয়ে ভালো আছেন জানিয়ে এই অভিনেতা বলেন, ‘ভাই, আমরা অনেক সিনিয়র হয়ে গেছি। চলচ্চিত্রে এসে কি আমরা পাপ করেছি? আমি আমার পরিবার নিয়ে অনেক ভালো আছি। নিজের কাজ নিয়েও ভালো আছি। আমি চুরি করি না। আমরা এখনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে চাই। আমার সঙ্গে অনেকের ছবি থাকতে পারে, কিন্তু আমরা নিজেদের জায়গায় ঠিক আছি।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলো সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওমর সানী বলেন, ‘আমার বেশি টাকা লাগে না। আমাকে আমার মতো থাকতে দিন। চলে যাওয়ার সময় এসে গেছে। আমাদের নিয়ে মিথ্যা কথা ছড়াবেন না। যেসব পোস্টে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে না নিলে মামলা করব।’
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়ায়, ওমর সানী ও মৌসুমীর ছেলে ফারদিন পরিবারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাসা থেকে মাকে বের করে দিয়েছেন। তবে এই খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ওমর সানী।
অভিনেতার ভাষ্য, ফারদিন বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন এবং মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে তাঁদের কোনো সম্পত্তি নেই বলেও দাবি করেন তিনি। ফলে মৌসুমীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার খবরটি সত্য নয় বলে জানান এই অভিনেতা।
এদিকে, মাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে আগেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ফারদিন। নিজের ফেসবুক পোস্টে সংশ্লিষ্ট পেজগুলোকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের বিরুদ্ধে প্রচারিত কনটেন্টের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেন তিনি।
ছেলের ওই পোস্ট নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে সমর্থন জানান ওমর সানী। এবার সাংবাদিকদের সামনে এসে একই অবস্থান জানালেন অভিনেতা। পরিবারকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার বন্ধ না হলে আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
