নভেম্বরে কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগম-সহ ৭ পুরসভায় ভোট! সেই নির্বাচনে এনসিপিআইয়ের সঙ্গে জোট জল্পনা ওড়ালেন রাজ্যে বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। জানালেন, “কলকাতা পুরসভার ২০৯টি আসনে পদ্ম প্রতীকে একাই লড়বে বিজেপি।” অন্যদিকে, রাজ্য বিজেপির বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও একই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আমার জানা নেই। ফলে দলও জানে না। আমরা একাই লড়ব।”
দুর্গাপুজো শেষ। বাংলায় এবার ভোটপুজো! সব কিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরেই কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগম-সহ রাজ্যের ৭টি পুরসভায় নির্বাচন। রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা বিজেপি, এনসিপিআইয় অর্থাৎ তৃণমূলের হারের পর ২০ জন সাংসদ যে দলে যোগ দিয়েছেন সেই দলের সঙ্গে সঙ্গে জোট করে পুর নির্বাচনে নামবে। ২০ সাংসদের ঘনিষ্ঠরা টিকিট পাওয়ার জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে কানাঘুঁষো। এই আবহে রাজ্যে আসেন রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। বৈঠকে বসে বিজেপি নেতৃত্ব। আজ, শনিবার বালুরঘাটের সাংসদ স্পষ্ট করলেন কোনও জোট নয়! কলকাতায় সব কয়টি আসনেই বিজেপি প্রার্থী দেবে।
অন্যদিকে শমীক ভট্টাচার্যও একই সুরে জানিয়েছেন, “বিজেপি একার শক্তিতে ছাব্বিশের নির্বাচন জিতেছে। কারও দয়ায় ক্ষমতায় আসেনি। বিজেপি হাওড়া ও কলকাতা পুরসভায় বোর্ড গঠন করবে।” তাঁকে প্রশ্ন করা হয় তৃণমূলের বেশ কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলর বিজেপির টিকিটে দাঁড়াতে চাইছেন? উত্তরে শমীক বলেন, “এই রমক কোনও তথ্য আমার কাছে নেই। আমার কাছে নেই মানে দলের কাছেও নেই।” চলতি মাসেই বিজেপি পুরভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে বলেই সূত্র মারফত খবর।
উল্লেখ্য, ছাব্বিশের নির্বাচনের পর তৃণমূল ভেঙে খান খান। অধিকাংশ বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিদ্রোহ ঘোষণা করে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নাম নিয়ে উপনির্বাচন লড়েছে। অন্যদিকে ২০ সাংসদ এনসিআইপিতে যোগ দিয়েছেন। সেই থেকেই জল্পনা, ওই দলের সঙ্গে জোট করে পুরভোট লড়বে বিজেপি। তা নসাৎ করে দিলেন রাজ্য বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা।
