খবরের কাগজ গ্রাফিকস
-->রাজধানীর খিলক্ষেতে সরকারি দায়িত্ব পালনকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা ও কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. সাজু (২৯) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এদিকে, হামলায় এসআরবি-১-এর ল্যান্স কর্পোরাল মো. ইসরাইল হোসেন ও কনস্টেবল মাহবুবুল হোসেন তপনসহ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন।
অভিযুক্তদের মধ্যে খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান রেনু (৫২) ও তার সহযোগী বাবলু (৩৮) পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন
বুধবার (১৪ অক্টোবর) খিলক্ষেত থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হাফিজুর রহমান খবরের কাগজকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া মিজানুর রহমান ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ এলাকার ১ নম্বর সড়কের একটি বাসার সামনে এসআরবি-১, সিপিসি-১ ও এমসিসির সদস্যদের একটি যৌথ দল নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। এ সময় মাদক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছিলেন তারা।
এ সময় অভিযানিক দল যখন স্থানীয় এক ব্যক্তির সামনে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন, তখন মিজানুর রহমান রেনুর নেতৃত্বে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা সরকারি কাজে বাধা দেয় এবং ‘ডাকাত-ডাকাত’ বলে চিৎকার করে স্থানীয় লোকজনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে।
একপর্যায় হামলাকারীরা ল্যান্স কর্পোরাল মো. ইসরাইল হোসেনকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং কনস্টেবল মাহবুবুল হোসেনের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে। আঘাত ঠেকাতে গেলে কনস্টেবল মাহবুবুলের ডান হাতের কনুই ভেঙে যায়।
শেখ জাহাঙ্গীর/সালমান/
