দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম শ্রেণিতে ৭ হাজার ও ৩০০ উইকেটের ‘ডাবল’ অর্জন করেছেন শুভাগত হোম চৌধুরী। ৩০০ উইকেটের মাইলফলকে ময়মনসিংহের এই অলরাউন্ডার পা রেখেছিলেন আগেই। আজ কক্সবাজারে ঢাকার বিপক্ষে ৭১ রানের ইনিংস খেলার পথে ৭ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ‘ডাবল’ অর্জন করেন। তাঁর এই কীর্তি গড়ার দিনে রাজশাহীতে বরিশালের বিপক্ষে ১৭৬ রানের ইনিংস খেলেছেন স্বাগতিক ব্যাটার নাঈম আহমেদ।
ঢাকার বিপক্ষে আগের দিনই মাহফিজুলের সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ২২৬ রান তুলে ফেলেছিল ময়মনসিংহ। বাকি ৬ উইকেটে আর ১৬১ রান তোলে তারা। সেঞ্চুরিয়ান মাহফিজুল আগের দিনের ১১৬ রানে আউট হয়ে গেলেও ময়মনসিংহকে এগিয়ে নিতে শুভাগত হোম ৭১ ও রাকিবুল হাসান ৬১ রানের ইনিংস খেলেন। ৪টি চারে সাজানো ১২৫ বলে ৭১ রানের ইনিংসের পথেই প্রথম শ্রেণিতে ৭ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন শুভাগত। দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ৭ হাজার রান ও ৩০০ উইকেটের ‘ডাবল’ অর্জনের পর শুভাগতের প্রতিক্রিয়া, ‘হ্যাঁ (রেকর্ডের কথা) জানতাম। গত বছরই কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম। শেষমেশ সেটা হয়েই গেল। অবশ্যই ভালো লাগার অনুভূতি।’
ময়মনসিংহের ইনিংস শেষে প্রথম ইনিংস শুরু করে ঢাকা ৩ উইকেটে ১২০ রান তুলেছে। ৬৪ রানে অপরাজিত মোহাম্মদ নাঈম।
রাজশাহীতে বরিশালের ২২৯ রানের জবাবে রানের পাহাড় গড়ার পথে রাজশাহী। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৫ উইকেটে ৪২৪ রান তুলেছে তারা। দলের এই বড় রানের পেছনে বেশি অবদান নাঈম আহমেদের। ২৩৩ বলে ২৫টি চারে ১৭৬ রান তুলে অপরাজিত আছেন ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটার। এর বাইরে ফিফটি করেছেন সাব্বির রহমান (৮৬) ও মেহেরব (৫৭)।
চট্টগ্রামে সিলেটের ১৭৯ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ২০৬ রান তোলে রংপুর। মিম মোসাদ্দেক (৫৯) ও আলী আকবর (৭৪) ফিফটি করেছেন। দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে সিলেট বিনা উইকেটে ৩৪ রান তুলেছে।
সিলেটে খুলনার ২০১ রানের জবাবে ইরফান শুক্কুর (৫৯) ও শামীম হোসেনের (৫১) ফিফটির সুবাদে ২৫০ রান তুলেছে চট্টগ্রাম। শেখ পারভেজ জীবন নিয়েছেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ৬ উইকেটে ১৬১ রান তুলেছে খুলনা। খুলনার লিড ১১২ রান।
