সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে জয়পুরহাটের মন্দির ও পূজামণ্ডপগুলোতে এখন বইছে ব্যাপক উৎসবের হাওয়া। আগামী শুক্রবার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা। সময় ঘনিয়ে আসায় শেষ মুহূর্তে প্রতিমার গায়ে রং-তুলির শেষ আঁচড় দিতে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন মালাকার বা ভাস্কর শিল্পীরা। একই সঙ্গে মণ্ডপগুলোতে তোরণ নির্মাণ, নান্দনিক প্যান্ডেল সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ জোরকদমে চলছে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এবার জয়পুরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলায় সর্বমোট ৩১০টি মন্দির ও মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে সরকারিভাবে ইতিমধ্যে প্রতিটি মন্দির ও মণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে পূজার আবহ জমজমাট হলেও প্রতিমা তৈরির প্রধান কারিগর মৃৎশিল্পীদের মনে রয়েছে কছুটা ক্ষোভ ও হতাশা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে রঙ ও উপকরণের দাম বাড়লেও সেই তুলনায় ন্যায্য মজুরি বা পারিশ্রমিক না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ভাস্কর শিল্পীরা।
তবে সব উদ্বেগ পেরিয়ে উৎসব উদযাপনে আশাবাদী আয়োজকেরা। জয়পুরহাটের মাদারগঞ্জ দুর্গা মন্দিরের পরিচালক বিবেকানন্দ চৌধুরী আশা প্রকাশ করে জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও জেলাজুড়ে অত্যন্ত শান্তিময় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপিত হবে। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই সম্প্রীতির মেলবন্ধনে শারদোৎসব সম্পন্ন হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়সহ সর্বস্তরের জেলাবাসীর।
সংশ্লিষ্ট সংবাদ: জয়পুরহাট
১১ অক্টোবর ২০২৬
০৬ অক্টোবর ২০২৬
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
