ছবি: সংগৃহীত
-->পাল্টা লড়াইয়ের সুযোগই পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া। বল হাতে আগুন ঝরাচ্ছেন মার্কো ইয়ানসেন ও কাগিসো রাবাদা। তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের স্বপ্ন দেখছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পোর্ট এলিজাবেথের সেন্ট জর্জেস পার্কে দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি প্রোটিয়াদের হাতে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিনের শুরুতে মাত্র ৯৯ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর ফলো-অনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে তারা। দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৫৬ রান তুলেছে সফরকারীরা। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে এখনও ১৭০ রান প্রয়োজন অস্ট্রেলিয়ার।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত বোলিং করেন ইয়ানসেন। ৩৩ রানে ৫ উইকেট নেন এই বাঁহাতি পেসার। তার তোপে নিজেদের চতুর্থ সর্বনিম্ন টেস্ট ইনিংসে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
আরও পড়ুন
দ্বিতীয় ইনিংসেও ধারাবাহিক রাবাদা। দুই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার চাপ বাড়িয়েছেন তিনি। ওপেনার নিক ম্যাডিসনকে মাত্র ৮ রানে ফিরিয়েছেন এই পেসার। বোল্ড করেছেন ম্যাট রেনশকে। প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়ে বড় ভূমিকা রাখা রেনশ এবার সুবিধা করতে পারেননি। ফিরেছেন মাত্র ১১ রানে।
তবে অস্ট্রেলিয়ার আশার নাম ট্রাভিস হেড। শুরুতে জীবন পেয়ে ৮৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। মারনাস লাবুশেনের সঙ্গে তার ৯২ রানের জুটি কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল। কিন্তু সেই জুটি ভাঙেন সাইমন হারমার। বড় শট খেলতে গিয়ে ইয়ানসেনের হাতে ক্যাচ দেন লাবুশেন।
আরও পড়ুন
প্রথম ইনিংসে ৩২৬ রানের লিড পেয়েও ফলো-অন করানোর সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও চোটের কারণে মাঠের বাইরে চলে যান পেসার আনরিখ নরকিয়া। তার অনুপস্থিতিতে বোলারদের ছোট ছোট স্পেলে ব্যবহার করেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। হারমারকে দিয়ে করান ১৮ ওভার। তাতেই আসে দুটি উইকেট।
প্রথম ইনিংসে ইয়ানসেনের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। দিনের দ্বিতীয় ওভারে নিজের প্রথম বলেই নাইটওয়াচম্যান স্কট বোল্যান্ডকে ফেরান তিনি। এরপর একে একে আউট করেন হেড, রেনশ, অ্যালেক্স ক্যারি ও বিউ ওয়েবস্টারকে।
এদিকে ঘাড়ের চোটে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামেননি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। প্রথম ইনিংসে ২৮ রান করে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন তিনি।
পাপ্পু/
