হার্দিক পান্ডিয়া ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ছবি: ANI
Published on
:
2 min read
IPL-এর মেগা রিটেনশন ও মিনি নিলামের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে তা নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে। কোন প্লেয়ার থাকবেন আর কোন প্লেয়ারকে ছেড়ে দেওয়া হবে তা নিয়ে ক্রিকেট মহলে আলোচনা, জল্পনা। আর এখানে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বর্তমান অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে। তাঁকে নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। তাঁর CSK-তে যোগ দেওয়া নিয়ে চর্চা কম হয়নি। এ বার এই বিষয়ে মুখ খুললেন CSK তথা টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকা রবিচন্দ্রন অশ্বিন।
গত কয়েকটা IPL নিয়ে অশ্বিন তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে একাধিক ভিডিয়োতে অন্দরের অনেক কথা বলেছেন। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তিনি নিন্দা করতেও ছাড়েননি। এ বার তিনি CSK-তে হার্দিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলায় তা বাড়তি মাত্র পেয়েছে?
ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে গুঞ্জন ছিল, পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসে হার্দিককে নিতে সরাসরি আসরে নেমেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি উঠছিল, মাহি নিজে উদ্যোগ নিয়ে নাকি হার্দিককে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন। এই বিষয়ে অশ্বিন নিজের ইউটিউব চ্যানেলে জানিয়েছেন, ধোনির হস্তক্ষেপে হার্দিকের CSK যাওয়াটা বাস্তবের চেয়ে কল্পনাই বেশি; বরং ভারতীয় অলরাউন্ডারের সম্ভাব্য নতুন ঠিকানা হতে চলেছে রাজস্থান রয়্যালস।
নিজের পডকাস্টে অশ্বিন বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন অনেক কথা ঘুরছে যে ধোনি নিজে নাকি হার্দিককে CSK-তে আসার জন্য রাজি করাবেন। এটা মানতেই হবে যে হার্দিক দলে এলে চেন্নাইয়ের শক্তি অনেক বেড়ে যাবে। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত মত জানতে চাইলে বলব, এটা বাস্তবে ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম।’ এরপরেই বোমা ফাটিয়ে অশ্বিন যোগ করেন, ‘আমি অন্দরের যেটুকু খবর পেয়েছি, তাতে হার্দিক পান্ডিয়াকে ট্রেড করার লড়াইয়ে সবার ওপরে নাম রয়েছে রাজস্থান রয়্যালসের। ওরাই এই মুহূর্তে তালিকার শীর্ষে রয়েছে।’
সম্প্রতি ক্রিকেট ওয়েবসাইট ‘ক্রিকবাজ়’-এর এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ভারতের প্রাক্তন বাঁহাতি পেসার জ়াহির খান CSK-র নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পরই হার্দিকের চেন্নাইয়ে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। অতীতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ম্যানেজমেন্টে থাকার সময় জ়াহিরের সঙ্গে হার্দিকের পুরনো সম্পর্কের টানাপোড়েন ছিল। তবে অন্য একটি সূত্রের মতে, ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি ক্রিকেটে পেশাদারিত্বের খাতিরে চেন্নাইয়ের নতুন পরিবেশ সেই সমীকরণ বদলে দিতেও পারে। আগামী ১৫ নভেম্বর আইপিএল রিটেনশনের চূড়ান্ত ডেডলাইন। ফলে তার আগে এই বিষয় নিয়ে কাটাছেঁড়া হবে।
