“স্বামীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ ছিল ভাগনি,” বলেন খালা রিনা বেগম।
Published : 12 Oct 2026, 09:27 PM
Updated : 12 Oct 2026, 09:27 PM
রাজধানীর শ্যামপুরের এক গৃহবধূর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ; এ ঘটনায় তার স্বামী ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে শ্যামপুর থানা পুলিশ।
তাসরিন জাহান (২৪) নামে ওই গৃহবধূ স্বামীর সঙ্গে থাকতেন শ্যামপুরের করিমুল্লাবাগ এলাকার একটি বাসায়। তিন ভাইবোনের মধ্যে ছোট ছিলেন তাসরিন।
শ্যামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাঞ্চন রায়হান বলেন, তাসরিনের মা ‘আত্মহত্যার প্ররোচনার’ অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। তার স্বামী রনি আহমেদ ও শাশুড়ি রোকেয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শ্যামপুর থানার এসআই ইমাম পাটোয়ারী বলেন, “রোববার দুপুরের দিকে ঘটনা ঘটে বলে আমরা জেনেছি। তারাই (স্বজনরা) হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যার দিকে খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পাই।
“রোববার মধ্যরাতে মামলা হলে তাদের (স্বামী-শাশুড়ি) করিমুল্লাবাগ এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।”
তাসরিনের খালা রিনা বেগম বলেন, “স্বামীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ ছিল ভাগনি। দুই-তিন মাস আগে আমার কাছে এসে দুঃখের কথা বলেছিল। বলেছিল- স্বামী অনেক মারধর করে। আমি ওর ভাত খাব না খালা। আমাকে তোমার কাছে রেখে দাও।”
রিনা বলেন, “প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকে শাশুড়িও মানসিকভাবে অত্যাচার করত।”
তাসরিনের মামা সেলিমের অভিযোগ, “যৌতুকের জন্য কয়েকবার সালিশ হয়েছে। দাবি করা জিনিসপত্র ও টাকা দেওয়ার পরও তারা অতিরিক্ত টাকার জন্য চাপ দিচ্ছিল। টাকা না দিলে মেয়েকে ফেরত পাঠানো বা মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।”
