পাকিস্তানের করাচিতে বিক্ষোভ ও জনসমাবেশ নিয়ন্ত্রণে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। অন্যদিকে, পাঞ্জাব প্রদেশের মুলতানে যাত্রীবাহী ট্রেনের ১৪ বগি লাইনচ্যুত হয়ে অন্তত ছয়জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছে। একদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক বিধিনিষেধ, অন্যদিকে রেলপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার করাচির কমিশনার সৈয়দ হাসান নাকভি ১১ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত মহানগরীতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। এ সময় পাঁচজনের বেশি মানুষের জমায়েত, বিক্ষোভ, মিছিল, সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রশাসনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রধান সড়ক, মোড় ও চত্বরে বিক্ষোভের কারণে তীব্র যানজট তৈরি হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জরুরি সেবা ও হাসপাতালে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে। সম্ভাব্য অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়ানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৪৪ ধারার আওতায় নিষিদ্ধ জমায়েত আয়োজন, আহ্বান, এতে সহায়তা ও অংশগ্রহণের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
এদিকে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুলতানে মঙ্গলবার ভোরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানায়, মঙ্গলবার ভোর ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে করাচি থেকে পেশোয়ারগামী রহমান বাবা এক্সপ্রেসের ১৪ বগি মুলতানের শের শাহ সেতুর কাছে লাইনচ্যুত হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ, উদ্ধারকর্মী ও জরুরি সেবার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে স্থানীয় নিশতার হাসপাতালে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ১৪ বগির মধ্যে ১৩টি সরানোর কাজ শেষ হয়েছিল। বাকি বগিটিতে উদ্ধার অভিযান চলছিল।