কালো আবরণে ঢাকা মণ্ডপ। ড্রামের উপর পড়ছে জলবিন্দু। সেই শব্দের সঙ্গে বিশাল পর্দায় ফুটে উঠছে শিবের তাণ্ডব নৃত্য! জল, শব্দ ও দৃশ্যের মেলবন্ধনে কালীপুজোয় নতুন চমক শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্রে। দুর্গাপুজোর রেশ ধরেই বারাসতের শুরু হয়ে গেল কালীপুজোর প্রস্তুতি। পুজোর সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্রের মণ্ডপ ও প্রতিমা গড়ছেন শিল্পী ভবতোষ সুতার। বারাসতে এই প্রথম তাঁর কাজ। শনিবার প্রকাশ্যে এল পুজোর থিম ‘অতল অনন্ত’।
টাকি রোডের শিমুলতলায় শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্র। এই পুজোয় মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেই বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পী ভবতোষ সুতার। প্রায় ১৫টি মোটরের সাহায্যে তৈরি হচ্ছে জলপ্রবাহ। ড্রামের উপর বিভিন্ন গতিতে জল পড়ে তৈরি হবে নানা শব্দ। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্দায় ফুটে উঠবে শিবের নাচ। কাচের উপর নৃত্যশিল্পীর নাচের ছবি নিচ থেকে প্রক্ষেপণ বা প্রজেক্টরের মাধ্যমে তৈরি হবে এই দৃশ্য।
প্রায় ২৭ বছর ধরে কলকাতার দুর্গাপুজোয় কাজ করছেন শিল্পী ভবতোষ সুতার। তবে কালীপুজোর কাজ প্রথমবার। শিল্পীর কথায়, “পুজো আমার কাছে শুধু পেশা নয়, নেশাও।” শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্রের থিম ‘অতল অনন্ত’ নামের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ভবতোষ সুতার জানান, “যার তল নেই, তা অতল। যার শেষ নেই, তা অনন্ত।” জল, শব্দ ও দৃশ্যের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক ভাবনা তুলে ধরাই এই আয়োজনের লক্ষ্য। তাঁর কথায়, “এটা শুধু দেখার বিষয় নয়, উপলব্ধি করার বিষয়।”
শিল্পীর দাবি, কলকাতাতেও এই মাপের প্রক্ষেপণ বিরল। প্রায় ২৭ বছর ধরে কলকাতার দুর্গাপুজোয় কাজ করছেন তিনি। তবে কালীপুজোর কাজ প্রথমবার। শিল্পীর কথায়, “পুজো আমার কাছে শুধু পেশা নয়, নেশাও।” শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্রের থিম ‘অতল অনন্ত’ নামের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ভবতোষ সুতার জানান, “যার তল নেই, তা অতল। যার শেষ নেই, তা অনন্ত।” জল, শব্দ ও দৃশ্যের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক ভাবনা তুলে ধরাই এই আয়োজনের লক্ষ্য। তাঁর কথায়, “এটা শুধু দেখার বিষয় নয়, উপলব্ধি করার বিষয়।”
কালীপুজোয় বারাসতে বিপুল ভিড়ের ছবি নতুন নয়। প্রতিবারই ভিড় সামলাতে বাড়তি তৎপরতা থাকে প্রশাসনের তরফে। এবছর কলকাতার চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে ঘটে গিয়েছে প্রাণহানির ঘটনা। তাই এবার আরও সাবধানী জেলা প্রশাসন। শনিবার এনিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করছে পুজো কমিটি। রাস্তা কিছুটা সংকীর্ণ হওয়ায় যাতায়াত ও নিকাশি ব্যবস্থার দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। চাঁপাডালি মোড় ও টাকি রোডের অন্য প্রান্তে দুটি আলোর প্রবেশদ্বার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে উদ্বোধনের দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক সুবীর শীলের উদ্যোগেই বারাসতে কালীপুজোর থিম করেছেন শিল্পী ভবতোষ সুতার। সুবীরের কথায়, “মানুষের নিরাপত্তার উপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকবে প্রশাসন।”
