আজকাল ওয়েবডেস্ক: দুর্গাপুজোয় বেনজির বিপর্যয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পরেই অ্যাকশন শুরু পুলিশের। চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯টি তরতাজা প্রাণ শেষ। এই ঘটনায় রবিবার সকালে সাতজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। গতকাল রাতেই ১৪ জনকে আটক করা হয়েছিল। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চোরবাগানে পদপিষ্টের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ পুলিশের। গিরিশ পার্ক থানায় এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৫, ১১০ এবং ৩(৫) ধারায় উদ্যোক্তা-সহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলি জামিন অযোগ্য হওয়ায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পদপিষ্টের ঘটনার নেপথ্যে কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চোরবাগান কাণ্ডে ধৃতেরা হলেন, রাজ কুমার সেউদা, পুজো কমিটির সেক্রেটারি, শান্তনু দুবে, পুজো কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও ধৃত বিপ্লব মুখার্জি, পুজো মণ্ডপের কাঠামো তৈরিতে যুক্ত ছিলেন, কৌশিক সাহা, ভিড় নিয়ন্ত্রণে ও ভিআইপিদের লাইনে কর্মরত ছিলেন, পিন্টু দে, ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন, প্রাইভেট সিকিউরিটি ইনচার্জ হিসেবে ছিলেন সুমন চক্রবর্তী, রাজেশ পাল।
পাশাপাশি কলকাতার কলেজ স্ট্রিট, কলুটোলা ও ইডেন হাসপাতাল রোড সংলগ্ন এলাকায় জমায়েত ও বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ করল কলকাতা পুলিশ। ১৮ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের জন্য ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত, লাঠি বা অন্য বিপজ্জনক অস্ত্র বহন এবং শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে এমন কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
