খতিয়ান, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর বিষয়ে মিলবে বিনামূল্যে পরামর্শ ও সেবা
খোলা বাজার অনলাইন, ডেস্ক:
- আপডেট সময় : ০৯:৫১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর পুরানা পল্টনে নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২-এর উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে রাজধানীর ৭১ পুরানা পল্টনে চালু হয়েছে ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’। রোববার কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ভূমি ভবনে অবস্থিত প্রথম নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্রের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য দেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ভূমি একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ভূমির অধিকার রক্ষা ও সংশ্লিষ্ট সেবা পাওয়া প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। দীর্ঘদিন ধরে ভূমিসেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা জটিলতা ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। এসব দুর্ভোগ কমাতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, নাগরিকদের সুবিধাজনক স্থানে দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা পৌঁছে দেওয়াই নতুন কেন্দ্র চালুর মূল উদ্দেশ্য। এখান থেকে নাগরিকেরা খতিয়ান, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন করসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য, পরামর্শ ও সেবা পাবেন। সেবাকেন্দ্রে দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কোনো ধরনের তৎপরতা বরদাশত করা হবে না। সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, অতীতে ভূমিসেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা ভোগান্তি ও জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ভূমিসেবাকে আরও জনবান্ধব করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ হলে জনগণের আস্থা বাড়বে। ভূমিসেবায় অনিয়ম ও হয়রানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে নতুন কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, ভূমিসেবার পরিধি ও মান বাড়াতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

