স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর হাসপাতালগুলো বেশ পরিপাটি দেখা যায়; চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মতৎপরতাও বাড়ে। কিন্তু সেই পরিবর্তন দিন কয়েকের বেশি টেকে না।
ফলে এ ধরনের আচমকা অভিযান দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে আদৌ কার্যকর কোনো পদ্ধতি কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
এসব অভিযানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুফল দেখলেও চিকিৎসকদের একটি অংশের বক্তব্য, তাৎক্ষণিক পরিদর্শন ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ দিয়ে স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এর পরিবর্তে জনবল, ওষুধ ও যন্ত্রপাতির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাগুলো দূর করার কথা বলছেন তারা।
গত ফেব্রুয়ারিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের অন্তত ৩০টি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে গেছেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
এ তালিকায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল, হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতাল, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল, কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল ও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালও রয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন গত ২৯ অগাস্ট হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ, ওয়ার্ড, ফার্মেসি, এমনকি রান্নাঘর পর্যন্ত ঘুরে ঘুরে দেখেন। কোথাও চিকিৎসক বা দায়িত্বরত ব্যক্তিকে কর্মস্থলে না পেয়ে বদলির নির্দেশ দেন, বরখাস্তও করেন; কোথাও আবার অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
তার এসব পরিদর্শনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আসছে, যা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা কথাবার্তা চলছে।
এমন প্রেক্ষাপটে মন্ত্রীর পরিদর্শনের আগে-পরের অবস্থা দেখতে কুমিল্লা, হবিগঞ্জ ও সিলেটের তিনটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরে দেখেছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধিরা।
তাতে আগের মতোই অপরিচ্ছন্নতা, আগের মতোই ভোগান্তি আর আগের মতোই অব্যবস্থাপনা দেখা গেছে।
কুমিল্লায় চার মাস পরও অপরিচ্ছন্নতা
গত ৫ মে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
হাসপাতালের রান্নাঘর, ওয়ার্ড ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা ঘুরে দেখে তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন, মন্ত্রীর পরিদর্শনের ভয়ে হলেও হাসপাতালের পরিবেশের উন্নতি হবে।
কিন্তু চার মাস পর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে রোগী ও স্বজনদের অসন্তোষ রয়ে গেছে, বিশেষ করে মেডিসিন, শিশু ও গাইনি ওয়ার্ডের বিভিন্ন কোণে ময়লা-আবর্জনা ও খাবারের উচ্ছিষ্ট জমে থাকতে দেখা গেছে।
খোলা অবস্থায় রাখা মেডিকেল বর্জ্যের পাত্র থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি রোগী ও স্বজনদের চলাচলের লিফট ব্যবহার করে বর্জ্য পরিবহনের অভিযোগও রয়েছে।
এক রোগীর স্বজন সামিউল ইসলাম বলেন, লিফটের সামনে মেডিকেল বর্জ্যের ড্রাম রাখা থাকে। কখনও সেগুলোর ঢাকনা খোলা থাকে। রোগী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে একই লিফটে এসব বর্জ্য ওঠানো-নামানো হয়।
নতুন ভবনের বিভিন্ন স্থান, সিঁড়ির কোণায়, জানালার কার্নিশ ও দন্ত বিভাগের সামনের জায়গাতেও ময়লা, পানের পিক এবং ব্যবহৃত সিরিঞ্জ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
রোগীদের অভিযোগ, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিয়মিত পরিষ্কার না করলে মন্ত্রীর পরিদর্শন বা নির্দেশ দিয়ে পরিস্থিতি বদলানো কঠিন।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান বলেন, পরিচ্ছন্নতার জন্য ১২৬ জন কর্মী প্রয়োজন হলেও আছেন ৫৩ জন। তারা তিন পালায় কাজ করেন; তাদের কেউ কেউ পরিচ্ছন্নতার বাইরেও অন্য কাজ করেন। এই স্বল্প জনবল দিয়ে পুরো হাসপাতাল পরিষ্কার রাখা কঠিন বলে মনে করেন তিনি।
হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. মাছুম হাসান অতিরিক্ত রোগীর চাপকে সমস্যার কারণ হিসেবে দেখছেন। উল্লেখ করেন।
তার ভাষ্য, শয্যার তুলনায় প্রায় তিন গুণ রোগী থাকায় পরিচ্ছন্নতা শতভাগ বজায় রাখা কঠিন। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ আবার চালু হলে জনবল বাড়িয়ে পরিস্থিতির উন্নতি করা সম্ভব হতে পারে।
মন্ত্রীর পরিদর্শনের পর হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াছিনও টয়লেটের দুরবস্থা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন। কিন্তু তার নির্দেশের এক মাস পরও পরিচ্ছন্নতায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি বলে সরেজমিনে দেখা গেছে।
হবিগঞ্জে কয়েক দিনের মধ্যেই আগের অবস্থা
হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মানে সাময়িক উন্নতি হয়েছিল বলে রোগী ও স্বজনদের কেউ কেউ বলেছেন। কিন্তু কয়েক দিন যেতে না যেতেই হাসপাতালটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে বলে তাদের ভাষ্য।
গত ২৯ অগাস্ট দুপুরে হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি ওষুধের দোকান, শিশু ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি বিভাগ ও রান্নাঘর ঘুরে দেখেন। ফার্মেসির এক কর্মীকে কর্মস্থলে না পেয়ে তাকে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে বদলির নির্দেশ দেন।
হাসপাতালের নোংরা পরিবেশ দেখে অসন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি সেদিন চিকিৎসক ও শয্যা বাড়ানোর আশ্বাসও দেন তিনি।
কিন্তু পরিদর্শনের পর কয়েক দিন হাসপাতাল পরিপাটি থাকলেও এখন আবার বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন শৌচাগার এবং রোগীদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে।
রোগী ও স্বজনদের ভাষ্য, হাসপাতালে ভর্তি হয়েও প্রয়োজনীয় ওষুধের বড় অংশ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। অনেক পরীক্ষা হাসপাতালের বাইরে করাতে হয়; আবার পরীক্ষার যন্ত্রপাতি বিকল থাকায় আগের মতোই বিড়ম্বনায় পড়তে হয় রোগীদের।
শায়েস্তাগঞ্জের লেঞ্জাপাড়া গ্রামের নুরুল হক বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে নিজের খরচে বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। নার্সদের প্রয়োজন হলে ডাকতে হয়; তারা সব সময় সাড়া দেন না বলেও অভিযোগ তার।
বানিয়াচংয়ের সালমা বেগমের অভিযোগ, মেয়েকে বহির্বিভাগে দেখানোর পর যেসব পরীক্ষা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো বাইরে থেকে করাতে হয়েছে। পরে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর প্রতিদিন একটি ইনজেকশন ছাড়া বাকি ওষুধপাত্র বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।
হবিগঞ্জ শহরের বাসিন্দা এম সজলু মিয়া বলেন, মন্ত্রীর পরিদর্শনের পর কয়েক দিন হাসপাতালটি পরিপাটি ছিল, সেবার মানও কিছুটা ভালো মনে হয়েছিল। কিন্তু কয়েক দিন পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।
স্বাস্থ্যসেবার মান স্থায়ীভাবে না বাড়ার কারণ হিসেবে জনবল ও চিকিৎসক সংকটকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আমিনুল হক সরকার।
তার দাবি, ‘সীমিত জনবল’ নিয়ে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা তারা করছেন। চিকিৎসক ও কর্মী নিয়োগ করা গেলে সমস্যার সমাধান সহজ হবে বলে আশা করেন তিনি।
ওসমানী হাসপাতালে সাত দিনের প্রতিশ্রুতি, পরিবর্তন কতটা?
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেপ্টেম্বরের শুরুতে বলেছিলেন, হাসপাতালের সব সমস্যা সাত দিনের মধ্যে সমাধান হবে। কিন্তু পরিদর্শনের পরও পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ নিয়ে রোগী-স্বজনদের অসন্তোষ রয়েই গেছে।
রোববার দুপুরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, সিঁড়ির কোণে কোণে ময়লা ও পানের পিক জমে আছে। হৃদরোগ ওয়ার্ডের বাথরুমে দুর্গন্ধ; মেঝেতে পানি ও ধুলাবালি মিশে পিচ্ছিল হয়ে আছে। রোগী ও স্বজনদের থাকতে হচ্ছে বাথরুমের পাশেই। পুরুষ সার্জারি, গাইনি ও মেডিসিন বিভাগেও শৌচাগার ও আশপাশে ময়লা-আবর্জনা দেখা গেছে।
হৃদরোগ ওয়ার্ডের এক রোগীর স্বজন বলেন, বাথরুমের দুর্গন্ধে হাসপাতালে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। নিচে থাকা রোগীদের পাশ দিয়েই অন্যদের বাথরুমে যাতায়াত করতে হয়। এতে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে।
হাসপাতালটির উপপরিচালক ডা. হুমায়ুন কবির বলেন, হৃদরোগ ওয়ার্ডে ৪০ জন রোগী থাকার কথা থাকলেও সেখানে আছেন ১২০ জন। হাসপাতালটি ৯০০ শয্যার হলেও প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার রোগীকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে বারবার পরিষ্কার করার পরও দ্রুত ময়লা জমে যায় বলে তার ভাষ্য।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) ডা. আবুল কালাম আজাদ অবশ্য দাবি করেন, মন্ত্রীর নির্দেশের পর পরিচ্ছন্নতা ও চিকিৎসাসেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে।
তার ভাষ্য, হাসপাতাল পরিষ্কারের জন্য আউটসোর্সিংয়ে ২৬২ জন কর্মী রয়েছেন, যদিও প্রয়োজন ৫০০ থেকে ৬০০ জন। জনবল ও যন্ত্রপাতির চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আচমকা পরিদর্শন নিয়ে চিকিৎসকদের সমালোচনা
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের ধরন নিয়ে তী আপত্তি তুলেছেন চিকিৎসকদের একাংশ।
তাদের অভিযোগ, এসব পরিদর্শনে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি বা আচরণ বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে; কিন্তু স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত অন্য বিভাগগুলোর দুর্বলতা এবং প্রয়োজনীয় জনবল, ওষুধ ও যন্ত্রপাতির সংকট তুলনামূলকভাবে কম আলোচনায় আসছে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, হাসপাতাল পরিদর্শনের দৃশ্য ক্যামেরায় আকর্ষণীয় হলেও স্বাস্থ্যব্যবস্থা সিনেমা নয়।
তার প্রশ্ন, হাসপাতালের প্যাথলজি ল্যাব চালু রাখা কি শুধু চিকিৎসকের দায়িত্ব? ল্যাব, প্রশাসন, স্টোর ও পরীক্ষার উপকরণ সরবরাহের মতো বিভাগও রয়েছে।
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল মনে করেন, হাসপাতালে পরিদর্শনে যাওয়া এবং অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর রয়েছে। তবে কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে বিধি অনুযায়ী তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের পাশাপাশি জনবল, ওষুধ ও যন্ত্রপাতির সংকট নিরসনে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।
চিকিৎসকদের কারও কারও আশঙ্কা, প্রকাশ্যে চিকিৎসকদের ধমক দেওয়া বা তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা রোগী ও চিকিৎসকদের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে। এতে চিকিৎসকদের ওপর জনরোষ ও হামলার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলেও কেউ কেউ মনে করেন।
মন্ত্রীর দাবি, সুফল পাচ্ছে জনগণ
সমালোচনার বিপরীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের দুরবস্থা কাটাতে তিনি কাজ করছেন। বিভিন্ন হাসপাতালে পরিদর্শনের ফলে জনগণ সুফল পাচ্ছে বলেও দাবি তার।
মন্ত্রীর ভাষ্য, অফিস সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসককে না পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া তার দায়িত্ব। কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে নোটিস দিয়ে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হয় এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আর জনবল সংকট নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য হলো, স্বাস্থ্য খাতে জনবল বাড়াতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল পর্যন্ত যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং সেবার মান বাড়ানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
[প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সিলেট প্রতিনিধি বাপ্পা মৈত্র, কুমিল্লা প্রতিনিধি তানভীর দিপু ও হবিগঞ্জ প্রতিনিধি রাসেল চৌধুরী।]
পুরনো খবর
হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে মন্ত্রী, নেই অর্ধেক চিকিৎসক
নোয়াখালী হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, নোংরা পরিবেশ দেখে তত্ত্বাবধায়ক প্রত্যাহার
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের কদিন পরেই হবিগঞ্জ হাসপাতাল আগের অবস্থায়
