Published on
:
2 min read
উপ্পলে জিতলেই সিরিজ় পকেটে পুরে ফেলত টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ভালো খেলেও হারতে হয়েছে। ফলে সিরিজ় এখন ২-২। শেষ ম্যাচটা ইনিংস ডিসাইডার হয়েছে। দলের এই হার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভালো ছন্দে থাকলেও ব্যাটিং ও বোলিং দুটো বিভাগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ছাপিয়ে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়াকে। এ বার দলের হার নিয়ে সরাসরি বোলারদের কাঠগড়ায় তুললেন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার।
হায়দরাবাদের উপ্পল স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান তোলে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভারত ১৯.৩ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২২৩ রানে ইনিংস শেষ করে। এর ফলে শনিবার, ১৭ অক্টোবর বেঙ্গালুরুর এম চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামের ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল। এটা নিয়ে ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে শ্রেয়স আইয়ার বলেন, ‘আমাদের ব্যর্থতা শুরু হয়েছে বোলিং দিয়ে। আমরা আমাদের লাইন এবং লেংথ অনুযায়ী ঠিকমতো বল করতে পারিনি। দিনের শেষে যখন ২৫০ রান তাড়া করতে হয়, তখন আমাদের প্যাটার্নগুলো মেনে চলতে হয়। তবে রান তাড়া করার সময় আমাদের মানসিকতা ভালো ছিল, কিন্তু বল হাতে আমরা প্ল্যানগুলো কাজে লাগাতে পারিনি।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের প্রশংসা করেন শ্রেয়স। বলেন, ‘ওরা ওদের প্ল্যান দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে এবং উইকেট থেকেও সাহায্য পেয়েছে। বল ভালোভাবে ব্যাটে আসছিল ওদের এবং ফিল্ডিংয়ে সমস্যা হয়েছে শিশিরের জন্য। তবে আমরা পরের ম্যাচে বোলিং নিয়ে খুব একটা বেশি ভাবব না। আমাদের শুধু আমাদের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে ভাবতে হবে।’
তবে পরের ম্যাচে প্রথম একাদশে কোনও বদল হবে কি না সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি শ্রেয়স।
ম্যাচে রিপোর্ট
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ২৪৭ রান তোলে। অধিনায়ক ও ওপেনার শাই হোপ ৫০ বলে ১০২ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেরফান রাদারফোর্ড ৪৯ রানে অপারজিত থাকেন। বাকি জুয়েল অ্যান্ড্রু (২১), শিমরন হেটমায়ার (৩৩), রোভমান পাওয়েল (২৪) রান পান।
বোলিংয়ে অর্শদীপ সিং, প্রিন্স যাদব ও অক্ষর প্যাটেল একটি করে উইকেট তোলেন।
রান তাড়া করতে নেমে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন সঞ্জু স্যামসন। ২৩ বলে এই রান তোলেন তিনি। তিলক বর্মা করেন ৪৩ এবং নীতীশ কুমার রেড্ডি করেন ৪১। বাকি কেউ এদের রানের আশপাশে যেতে পারেননি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের হয়ে বল হাতে কিমো পাল পাঁচ, গুডাকেশ মোতি দুই ও একটি করে উইকেট নেন রোমারিও শেফার্ড ও শামার স্প্রিঙ্গার।
