আগামী ২০ অক্টোবর রাজশাহীতে এক জনসভায় বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বেলা ৩টায় ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে বক্তব্য দেবেন তিনি। নির্বাচনি প্রচার চলাকালে গত ২৯ জানুয়ারি এ মাঠে বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর এটি তাঁর প্রথম রাজশাহী সফর। এবারও মাদ্রাসা মাঠে বক্তব্য দেবেন তিনি।
তাঁর জনসভার জন্য মাঠ প্রস্তুত করা, মঞ্চ নির্মাণ, পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনসহ সার্বিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাদ্রাসা মাঠ পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি মাঠ পরিদর্শনকালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, দেয়াল রং করা, মাঠসংলগ্ন সড়ক সংস্কারসহ প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন। এ সময় মঞ্চ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফরের সিদ্ধান্তে তাঁরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আসছেন, এটি নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত আবেগ ও অনুভূতির বিষয়। তাঁকে একনজর দেখতে রাজশাহীবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে রাজশাহী আসবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর দেড়টায় তিনি রাজশাহী ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পরে বিকেল ৩টায় মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরসূচি অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর সকালে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে সৈয়দপুর বিমানবন্দর হয়ে রংপুর ধর্মসভা (রাধা গোবিন্দ মন্দির) পরিদর্শনে যাবেন। এরপর রাজশাহী আসবেন। রাজশাহী থেকে বিকেলেই তিনি চট্টগ্রাম যাবেন। চট্টগ্রামের জে এম সেন হল রহমতগঞ্জ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর তিনি ঢাকায় ফিরবেন। একদিনে দেশের তিন বিভাগ সফর করে তিনি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলাম্বীদের শুভেচ্ছা জানাবেন।
