মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করবে। এসব অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়া এলাকায় রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি জানান, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) অপরাধীদের তালিকা তৈরি করবে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাদকের কারণে তরুণদের একটি অংশ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের কেউ কেউ পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতন চালাচ্ছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সন্তানদের চলাফেরা ও বন্ধুবান্ধবের বিষয়ে অভিভাবকদের খোঁজখবর রাখতে হবে।
আইজিপি আরও জানান, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে পাড়ায় পাড়ায় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্কুল-কলেজেও মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।
দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দেশে কোনো নিরাপত্তাঝুঁকি আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, পূজায় কোনো হুমকি নেই। তবে কোনো দুষ্ট চক্র যাতে অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পূজা সম্পন্ন হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান এবং আমলাপাড়া পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা প্রমুখ।
