কালবেলা · খেলাধুলা
‘লামিন ইয়ামাল বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়’
১৮/১০/২০২৬

দুর্দান্ত সময় কাটছে বার্সেলোনার তরুণ স্প্যানিশ তারকা লামিন ইয়ামালের। জাতীয় দল কিংবা ক্লাব সর্বত্রই দ্যূতি ছড়াচ্ছেন ১৯ বছরের এই তরুণ। এবার তাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কাতালান কোচ হ্যান্সি ফ্লিক। রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ৫-২ গোলের দুর্দান্ত জয়ের পর এই জার্মান কোচের দাবি, এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় ইয়ামাল। গোল ডটকমের প্রতিবেদন।
রিয়াল বেতিসের মাঠে লা লিগার ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে বার্সেলোনা। দলের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ইয়ামাল। ১৯ বছর বয়সী এই তারকার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ফ্লিক বলেন, ‘ওর প্রথম গোলটি দেখলে বোঝা যায়, কতটা অবিশ্বাস্য খেলোয়াড় সে। এই মুহূর্তে সে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়।’
ইয়ামালের প্রশংসা করে বার্সেলোনা কোচ আরও বলেন, ‘ওর পারফরম্যান্সে আমি খুবই খুশি। ওর বয়স মাত্র ১৯ বছর, অথচ প্রতিটি ম্যাচেই খেলছে এবং স্বাভাবিকভাবেই তার ওপর অনেক চাপ রয়েছে। কিন্তু সে শতভাগ মনোযোগী ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ওর পারফরম্যান্স অসাধারণ, একই সঙ্গে ওর মানসিকতাও দুর্দান্ত। এভাবেই বড় খেলোয়াড়রা নিজেদের তৈরি করে।’
ম্যাচের শেষ দিকে ইয়ামালকে তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফ্লিক। তার ভাষায়, ‘এই ফলাফলের পর ওকে তুলে নেয়াটা প্রয়োজন ছিল। আমি ওকে বলেছি, ওর পারফরম্যান্স নিয়ে আমি গর্বিত। ও অসাধারণ একটি ম্যাচ খেলেছে।’
রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে বড় জয় পেলেও বার্সেলোনার জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের চোট। ম্যাচ চলাকালে শারীরিক সমস্যার কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছে এরিক গার্সিয়া ও জেরার্ড মার্তিনকে। পাশাপাশি জুলস কুন্দের শারীরিক সমস্যাও ভাবাচ্ছে কোচকে। ফলে সামনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে একাদশ সাজানো নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে কাতালান ক্লাবটি।
এ বিষয়ে ফ্লিক বলেন, ‘এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো খেলোয়াড়দের সুস্থ হয়ে ওঠা। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মঙ্গলবারের ম্যাচে খেলোয়াড়দের কত মিনিট খেলানো যাবে, সেটিও আমাদের বিবেচনা করতে হবে।’
ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনা একের পর এক জয় ও গোলের রেকর্ড গড়লেও ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় রেকর্ড নিয়ে খুব বেশি ভাবতে চান না এই জার্মান কোচ। তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মৌসুম শেষে শিরোপা জয়।
ফ্লিকের স্পষ্ট বক্তব্য, ‘রেকর্ড গড়া অবশ্যই ভালো লাগার বিষয়। কিন্তু আমরা শিরোপা জিততে চাই এবং আরও বড় অর্জন করতে চাই। সে জন্যই আমরা ফুটবল খেলি।’
রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে বড় জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে সামনে এগোতে চায় বার্সেলোনা। তবে সামনেই পিএসজির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এবং এরপর রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে বহুল প্রতীক্ষিত এল ক্লাসিকো। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ধরে রাখা, চোট সামলানো এবং আক্রমণভাগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই হবে ফ্লিকের বড় চ্যালেঞ্জ।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗