ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে সাত দিন কারাগারে থাকার পর মুক্তি দিয়েছেন বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম)।
নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে নির্ধারিত এলাকাটির মর্যাদা প্রত্যাহার করা সত্ত্বেও সেখানে প্রবেশ এবং শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা ভঙ্গের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছিল।
দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার দুই নেতাকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। এ সময় তাদের জামিনদারদের কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়। এরপর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
Boys have a message Gyanu must go! https://t.co/53Od3dJZ8W
— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) October 21, 2026
এর আগে গত ১৪ অক্টোবর তাদের পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। পরে ১৯ অক্টোবর তাদের হেফাজতের মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানো হয়। বুধবার সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।
এর আগে দিল্লি হাইকোর্ট তাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকৃতি জানান। আদালত তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে নির্ধারিত শুনানির ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে বলেন। এরপরও অভিযোগ বা অসন্তোষ থেকে গেলে আপিল আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেন।
If fearlessness had a face. https://t.co/Kxx1z1rynL
— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) October 21, 2026
মুক্তির শর্ত হিসেবে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা অঙ্গীকার করেছেন, যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে ঘোষণার মর্যাদা ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত তারা সেখানে বিক্ষোভের ডাক দেবেন না। পাশাপাশি শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলেও আদালতকে আশ্বস্ত করেছেন তারা।
ভোটার তালিকায় বড় পরিসরে সংশোধনের মাধ্যমে ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করে আসছে সিজেপি ও বিরোধী দলগুলো। তাদের অভিযোগ, এ সংশোধন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতাসীন দলকে সুবিধা দিচ্ছে।
তবে দেশটির নির্বাচন কমিশন কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এর আগে, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে সফল হয় সিজেপি।
